বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভারতের সঙ্গে গঙ্গা বা ফারাক্কা চুক্তি পুনর্নবায়ন ও বাস্তবায়নই দুই দেশের সুসম্পর্কের ভিত্তি হতে পারে।
শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভার আয়োজন করে বিএনপি।
মির্জা ফখরুল বলেন, “ভারতের সঙ্গে যে সুসম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ এসেছে, তা নির্ভর করবে গঙ্গা বা ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের ওপর। এই আহ্বান আমরা ভারতের প্রতি জানাই।”
তিনি আরও বলেন, মওলানা ভাসানীর ফারাক্কা আন্দোলন জনগণকে সংগঠিত করেছিল, যার ধারাবাহিকতায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় একটি চুক্তি করা সম্ভব হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে, তাই দ্রুত নতুন চুক্তি প্রয়োজন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে কোনো চুক্তি আমরা মেনে নেব না। দেশের স্বার্থই সর্বাগ্রে থাকবে।”
সরকারকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার জনগণের সরকার। দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে, তবে জনগণ তা প্রতিহত করবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে কিছু মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা জনগণ কখনোই সফল হতে দেবে না।
সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য নূরুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, বুয়েট অধ্যাপক আতাউর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খানসহ অনেকে।