নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সাথে রাজধানীর যানজট নিরসনে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
বুধবার অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুমোদিত ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পটি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে বাস্তবায়িত হবে। এতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩১ সালের মধ্যে এই রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সভায় অনুমোদন পাওয়া তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প হলো—এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট), এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ (নর্দান রুট)। এই তিন প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ (নর্দান) প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। পাশাপাশি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে নতুন প্রকল্প হিসেবে এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন) অনুমোদন লাভ করে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, জাইকার অর্থায়নে ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর) প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এমআরটি লাইন-৫ নর্দান (হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা) প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
এছাড়া গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার পথ হবে পাতালরেল।