মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
Title :
গাংনীতে ৯৬টি ল্যান্ডমাইন উদ্ধার, সেনাবাহিনীর সফল অভিযানে ধ্বংস চাঁদপুরে এসএসসিতে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য, শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান হলেন মোহসেন রেজাই বাংলাদেশের মতো দেশে শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: রিজভী নিরাপত্তা ভুয়া দালালের কাছ থেকে কেনা যায় না: ইরান ১৮ বছরের আন্দোলনে গুম-খুন-নির্যাতিতরা পাবেন ভাতা: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী জেনজিদের আন্দোলনে ফের উত্তাল ভারত, পুলিশের লাঠিচার্জ ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনই এখন সরকারের প্রধান কাজ: প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ায় নতুন ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া: জেলেনস্কি সৌদি আরবে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়াই-ই করতে পারল না বাংলাদেশ

  • Update Time : বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২১৪ Time View

এশিয়া কাপের সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়াই-ই করতে পারেনি বাংলাদেশ। মাত্র ১৯৩ রানে অলআউট হওয়া টাইগাররা হেরেছে ৭ উইকেটে।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) টার্গেট তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩৫ রান তোলে পাকিস্তান। এ সময় ২০ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে বিদায় নেন ফখর জামান। দলীয় ৭৮ রানে বাবর আজমকে তাসকিন বোল্ড করলেও রানের চাকা ঠিকই সচল রেখেছিল স্বাগতিক দল। বাবর ফেরেন ব্যক্তিগত ১৭ রানে।


এরপর ইমাম উল হক ও মোহাম্মদ রিজওয়ান মিলে গড়েন ৮৩ রানের জুটি। ৮৪ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলে মেহেদী হাসান মিরাজের শিকারে পরিণত হন ইমাম। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৪টি ছয়ের মার। ৩৯.৩ ওভারে দলের জয় নিশ্চিত করেন রিজওয়ান ও সালমান মিলে। রিজওয়ান শেষ পর্যন্ত ৬৩ ও সালমান ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আফগানদের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে জ্বলে উঠতে পারেননি, নাসিম শাহর বলে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।
লিটন দাস মেরে খেলা শুরু করলেও শাহিন শাহ আফ্রিদির শর্ট অফ লেন্থের বলে খোঁচা মেরে মোহাম্মদ রিজওয়ানের কাছে ক্যাচ তুলে দেন। ১৩ বলে ১৬ রান করে মাঠ ছাড়েন তিনি। নাঈম শেখ হারিস রউফের বলে তার কাছেই ক্যাচ তুলে দেন। হৃদয় আউট হন দলীয় ৪৭ রানে। ফলে ভীষণ চাপে পড়ে টাইগাররা।

দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম মিলে। পাকিস্তানের বোলারদের ওপর চাপ বাড়িয়ে বড় জুটি গড়ে তুলেন তারা। এরইমধ্যে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন সাকিব। ৫৭ বলে ৫৩ রান করার পর ফাহিম আশরাফের বলে ফখর জামানকে ক্যাচ দেন তিনি। মুশির সঙ্গে তার জুটি হয় ঠিক একশ রানের।
মুশফিক এরপর শামিম পাটোয়ারিকে নিয়ে ইনিংস গড়ায় মনযোগী হন। হাফসেঞ্চুরিও তুলে নেন তিনি। ফিনিশারের ভূমিকায় সুযোগ পাওয়া শামিম আফ্রিদির বলে দারুণ একটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। কিন্তু ইফতেখার আহমেদের বলে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ২৩ বলে ১৬ রান করেন এ ক্রিকেটার।

শামিম আউট হওয়ার সময় স্কোর বোর্ডে বাংলাদেশের রান ছিল ১৭৪, তখনও আশা দেখছিল টাইগাররা। কেননা উইকেটে যে ছিলেন একজন মুশফিকুর রহিম, অনেক আগেই যিনি মিস্টার ডিপেন্ডেবল হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন। কিন্তু এদিন আর ভরসার পাত্র হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। ৬৪ রান করার পর সেই রউফের শিকারে পরিণত হন তিনি। এরপর টপাটপ আরও আরও ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। তাসকিনকে রউফ, আফিফ হোসেন ও শরিফুল ইসলামকে নাসিম শাহ প্যাভিলিয়নের পথ দেখান। ৩৮.৪ ওভারে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category