মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
Title :
নয়াদিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে ব্যবসায়িক সুবিধা নেওয়ার দিন শেষ: অর্থমন্ত্রী জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল শাহরাস্তিতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩ সাকিব ‘নষ্ট-পচে যাওয়া মানুষ’, দেশে ফিরলে শেখ হাসিনাসহ সবাই পাবেন আইনি নিরাপত্তা: তথ্য উপদেষ্টা বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ শরীয়তপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণে বৃদ্ধ নিহত, আহত ১৫ বাশার আল-আসাদকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন সিরিয়ার আদালত দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে বাতিল হবে সংসদ সদস্য পদ: চিফ হুইপ

মোদীকে চিঠি দিচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী

  • Update Time : বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২০০ Time View

সংসদের বিশেষ অধিবেশনের আগেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখতে চলেছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। সেখানে তিনি দাবি করবেন, দেশের মানুষের সংকটের সঙ্গে যুক্ত থাকা বিষয়গুলো নিয়েই যেন বিশেষ অধিবেশনে আলোচনা হয়।

মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের বাসভবনে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া-র সংসদীয় দলগুলোর নেতাদের বৈঠকের পরই মোদীকে এই চিঠি লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সোনিয়া। বাকি বিরোধী দলগুলো এই ধরনের চিঠি প্রধানমন্ত্রীকে পাঠাবেন কি না, তা সংসদীয় নেতারা তাদের দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করবেন।

সংসদের বিশেষ অধিবেশনে কেন্দ্রীয় সরকার কী করতে চলেছে, সেটা আঁচ করে কৌশল ঠিক করতেই খড়্গের বাসভবনে ইন্ডিয়া-র দলগুলো বৈঠকে বসেছিল। পরে কংগ্রেসের লোকসভার উপনেতা গৌরব গগৈ বলেন, বিশেষ অধিবেশন কেন ডাকা হলো তা নিয়ে সরকারের পক্ষে কোনো কথা বলা হয়নি। আমাদের দাবি, বিশেষ অধিবেশনের কর্মসূচি কী, তা জানানো হোক।

তিনি বলেন, আমরা দেশের মূল সমস্যাগুলো সমাধানে ইতিবাচক অধিবেশন চাই। গগৈয়ের দাবি, ইন্ডিয়া-র দলগুলোর ঐক্য দেখে কাঁপছে বিজেপি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন।

তিনি বলেন, সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সরকারের কর্মসূচি কী, তা গোপন রাখা হচ্ছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে এটা হওয়ার কথা নয়।

ইন্ডিয়া-র সংসদীয় দলগুলোর নেতাদের বৈঠকের আগেই কংগ্রেসের সংসদীয় দলের স্ট্র্যাটেজি গ্রুপ-এর বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সোনিয়া গান্ধী।

কংগ্রেসের বৈঠকে স্থির হয়েছে, সরকার যে বিলই আনুক না কেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে জড়িত সমস্যাগুলো অধিবেশনে তোলা হবে। এই বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে মূল্যবৃদ্ধি, আদানি-র বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, চীনের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা, বেকারত্বের মতো ১৫-১৬টি বিষয়।

পরে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, সাধারণত বিশেষ অধিবেশন ডাকা হলে কর্মসূচি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য অনেক আগেই রাজনৈতিক দলগুলোকে দিয়ে দেওয়া হয়। বিভিন্ন দলের সঙ্গে কথা বলে কর্মসূচি তৈরি হয়। অথচ ইন্ডিয়া-র দলগুলো যখন মুম্বইয়ে বৈঠক করছে, তখন হঠাৎ করে প্রধানমন্ত্রী ও তার সতীর্থরা সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকে বসলেন। এটা নজর ঘোরানোর চেষ্টা ছাড়া কিছু নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category