মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
Title :
শাহরাস্তিতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩ সাকিব ‘নষ্ট-পচে যাওয়া মানুষ’, দেশে ফিরলে শেখ হাসিনাসহ সবাই পাবেন আইনি নিরাপত্তা: তথ্য উপদেষ্টা বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ শরীয়তপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণে বৃদ্ধ নিহত, আহত ১৫ বাশার আল-আসাদকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন সিরিয়ার আদালত দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে বাতিল হবে সংসদ সদস্য পদ: চিফ হুইপ ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ: ভারপ্রাপ্ত স্পিকার গাংনীতে ৯৬টি ল্যান্ডমাইন উদ্ধার, সেনাবাহিনীর সফল অভিযানে ধ্বংস চাঁদপুরে এসএসসিতে দুই বিষয়ে অকৃতকার্য, শিক্ষার্থীর মৃত্যু ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান হলেন মোহসেন রেজাই

বিশ্বের সবচেয়ে ছোট্ট কারাগার এটি

  • Update Time : রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৮৬ Time View

ছোট্ট দুটি ঘর। জানালা নেই। একটির আয়তন ৬ ফুট বাই ৬ ফুট। অন্যটির ৬ ফুট বাই ৮ ফুট। তার সঙ্গে ৩ ফুট চওড়া একটি ছোট্ট করিডর। এটিই একটা কারাগার বা সংশোধনাগার। যেটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কারাগার বলা হচ্ছে।

কোথায় এই কারাগার?

এক প্রতিবেদনে ভারতীয় গণমাধ্যম এবিপি আনন্দ জানিয়েছে, বিশ্বের যে দ্বীপে এটি রয়েছে, সেটির আয়তনও একেবারে ক্ষুদ্র। মাত্র ২.১ বর্গমাইল। মেরেকেটে ৫০০ জনের বাস ওই দ্বীপে। দ্বীপের নাম সার্ক। ছোট্ট দ্বীপের সঙ্গে একেবারে মানানসই ছোট্ট কারাগার।দক্ষিণ-পশ্চিম ইংলিশ চ্যানেলের কোলে রয়েছে বেশ কিছু দ্বীপ। সেগুলোকে একসঙ্গে বলে চ্যানেল আইল্যান্ড। তারই একটি সার্ক দ্বীপ। ছোট্ট এই দ্বীপের ইতিহাস অনেক পুরনো। ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই ছোট্ট দ্বীপে থাকা এই ছোট্ট কারাগারও এখনও ব্যবহৃত হয়।

কী রয়েছে এই কারাগারে?

এই কারাগারে সেলের মধ্যে রয়েছে একটি করে কাঠের তক্তার খাট। তার ওপর পাতলা তোষক। এটা হোল্ডিং সেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটি তৈরি হয়েছিল ১৮৫৬ সালে। ১৬ শতকে এই দ্বীপে প্রশাসনের যে ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই কোনো অপরাধের অভিযোগে অন্তত ২ দিন আটক রাখার জন্য এই কারাগার ব্যবহার করা হতো। যদি অপরাধ গুরুতর হতো এবং তার জন্য আরও বেশিদিনের জন্য শাস্তির দরকার হতো, তাহলে অপরাধীকে পাশের দ্বীপ আরও বড় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হতো। দুজন করে পুলিশকর্মী রয়েছেন এই জেলটির দায়িত্বে। পদমর্যাদার দিক থেকে একজন কনস্টেবল এবং তার সহকারী পদমর্যাদার একজন। ছোটখাট অপরাধের অভিযোগেই এখানে আটকে রাখা হয়।

 সার্ক দ্বীপের অন্যতম প্রধান ব্যবসা হচ্ছে পর্যটন। বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা এই দ্বীপটিতে ঘুরতে আসেন। এখন মূলত নেশাগ্রস্ত পর্যটকদের আটকে রাখার জন্য ব্যবহার হয় এই ছোট্ট জেল। রাতটা কাটিয়ে পরদিন সকালে একটু সুস্থ হতেই ছেড়ে দেয়া হয়। তবে এই কাজেই প্রায়শই ব্যস্ততা থাকে দায়িত্বপ্রাপ্তদের।
 বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা যায়, সার্ক দ্বীপে দ্বীপে কোনো মোটরগাড়ি চলে না। বাইসাইকেল, ট্রাইসাইকেল বা ঘোড়া বা বলদে টানা গাড়ি ব্যবহার করা হয় ছোট্ট এই দ্বীপটিতে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মনোরম আবহাওয়ার কারণে এখানে ভিড় জমান বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category