বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন

খুলনার মেয়র আবারও আব্দুল খালেক

  • Update Time : সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩
  • ৭২ Time View

 নৌকা প্রতীকের প্রার্থীবরিশাল সিটির মতো খুলনাতেও জয় পেয়েছেন । ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) প্রাপ্ত ফলে বেসরকারিভাবে আবারও নগরপিতা নির্বাচিত হয়েছেন তালুকদার আব্দুল খালেক।সোমবার (১২ জুন) রাতে খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন শিল্পকলা একাডেমিতে বেসরকারিভাবে এ ফল ঘোষণা করেন।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন শুরু থেকে অনেকটা নিরুত্তাপ ছিল। মেয়র পদে প্রার্থী পাঁচজন থাকলেও মাঠে ছিল না বিএনপি। ফলে বাকি চারজনের তুলনায় অনেকটা আধিপত্য বিস্তার করে ছিলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক। বোঝা যাচ্ছিল, অনেকটা একপাক্ষিকভাবেই তৃতীয় বারের মতো ফসল ঘরে তুলবেন তিনি। দিনশেষে ভোটের ফলাফলে তারই প্রমাণ পাওয়া গেল। রূপসাপাড়ের বাসিন্দারা নতুন কাউকে বেছে নেননি, সদ্য বিদায়ী মেয়রের ওপরই আবারও আগামী পাঁচ বছরের দায়িত্বভার তুলে দিলেন তারা।
 
এর আগে সকাল ৮টায় শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। অনেকটা অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শেষ হয় ভোট গ্রহণ। পুরো ৮ ঘণ্টার এই ভোটযুদ্ধে নগরবাসীর নির্ধারণ করা ফলাফল নিয়ে বিকেল ৫টার দিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমির ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্রের মঞ্চে আসেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন। এরপরই বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আসা ফলাফল একের পর ঘোষণা করতে থাকেন তিনি।
 
ঘোষিত ফলাফলে ২৮৯ কেন্দ্রের মধ্যে নৌকা প্রতীকের তালুকদার আব্দুল খালেক ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ের মঞ্চ বসলেন। আর তাই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখার মো. আব্দুল আউয়াল পান ৬০ হাজার ৬৪, লাঙ্গলের শফিকুল ইসলাম মধু ১৮ হাজার ৭৪, টেবিল ঘড়ির শফিকুর রহমান ১৭ হাজার ২১৮ ভোট এবং গোলাপ ফুলের সাব্বির হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৬ ভোট।

ভোটের আগের দিন রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল খালেক খুলনাবাসীর কাছে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে তাকে আবারও বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। রূপসা পাড়ের বাসিন্দারা তার সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন; আস্থা রেখেছেন তার কথায়।
 
এদিকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরই আব্দুল খালেকের সমর্থকরা নগরে মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন । তারা উল্লাসে ফেটে পড়েছেন।
 
সকালে ভোট শুরুর পর কেন্দ্রগুলোতে পুরুষের তুলনায় নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া পুরুষরাও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
 
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল জানিয়েছেন, খুলনায় আনুমানিক ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত ভোট পড়েছে।
 
তবে বরিশালের মতো খুলনাতে উল্লেখযোগ্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন সময় সংবাদকে বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও ভয়হীন করতে আগেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category