ফিলিস্তিনিদের সব ধরনের নৈতিক অধিকার আদায়ে চীন পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি গেং শুয়াং। এ সময়ত ইসরাইলকে ফিলিস্তিনের ভূমি ও সম্পদ দখল বন্ধের আহ্বান জানান তিনি। বুধবার (২৪ মে) নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিন-বিষয়ক মুক্ত সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। খবর গ্লোবাল টাইমসের।
গেং শুয়াং বলেন, চলতি বছর ইহুদিদের ফিলিস্তিনে প্রত্যাবর্তন, নতুন করে বসতি নির্মাণ এবং বসতির বৈধতাদানসহ নানা একতরফা কার্যক্রম চালিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলকে অবিলম্বে এসব বন্ধ এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ভূমি ও সম্পদ দখল বন্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জেরুজালেমের ধর্মীয় পবিত্র স্থানের ঐতিহাসিক অবস্থাকে সম্মান ও রক্ষা করতে হবে। বাধা না দিয়ে মুসলিমদেরকে সেখানে ইবাদত করার অধিকার এবং ধর্মীয় পবিত্র স্থানের শান্তি রক্ষায় জর্ডানের অধিকারকে সম্মান করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইনকে সম্মান করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উচিত বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সহিংসতা এবং স্কুল ও হাসপাতালসহ গণ-অবকাঠামোকে হামলার লক্ষ্য বানানো বন্ধ করা।
‘চলতি বছরের শুরু থেকে শিশুসহ শতাধিক ফিলিস্তিনি সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন। সব পক্ষের উচিত সাধারণ নাগরিকদের বিরুদ্ধে সমস্ত সহিংসতা বন্ধ করা। স্কুল, হাসপাতাল এবং অন্যান্য পাবলিক অবকাঠামোতে হামলা বন্ধ করা উচিত।’
‘ফিলিস্তিনি গৃহহীনদের দুর্দশা দূর করতে হবে। তাদের অর্থনৈতিক ও জীবিকার চাহিদা মেটানো উচিত। ইসরাইলকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গাজায় সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে। গাজার ভেতরে এবং বাইরে জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধা দেয়া যাবে না।’
ফিলিস্তিনকে চীন তাদের সব ধরনের নৈতিক অধিকারে সমর্থন দিয়ে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় ফিলিস্তিনের জনগণের পাশে থাকবো। তাদের ন্যায়সঙ্গত জাতীয় অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের সমর্থন তাদের সঙ্গে থাকবে।’
এছাড়াও তিনি বলেন, ১৯৬৭ সালের জেরুজালেমের সঙ্গে সীমানার ভিত্তিতে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠায় তাদের পাশে থাকবে চীন।