বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
Title :
ফের সাফারি পার্কে আনা হলো ‘সম্রাট বাহাদুর’ ও ‘নিহারকলি’কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে শিগগিরই নীতিমালা: ডা. জাহেদ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী মূল্যসীমা ছাড়াই পণ্য আমদানির সুযোগ, নতুন আমদানি নীতি জারি হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু মাকে হারানো নবজাতকের পাশে এমপি হারুন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা নয়, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় সরকার: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অনুমতি নয়, লংমার্চের কর্মসূচি পুলিশকে জানিয়েছি: মিয়া গোলাম পরওয়ার চলতি অর্থবছরেই হবে পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের অভিনন্দন

ভারতে আসছেন শি জিনপিং

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ Time View

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ সফরের মধ্য দিয়ে প্রায় সাত বছর পর ভারতে পা রাখবেন চীনা প্রেসিডেন্ট।

রয়টার্সকে ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজক কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শি জিনপিংয়ের সফর ঘিরে চীনা কর্মকর্তারা হোটেল চূড়ান্ত করা এবং নিরাপত্তা প্রটোকল নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ করছেন।

২০১৯ সালে সর্বশেষ নয়াদিল্লি সফর করেছিলেন শি জিনপিং। সেবারও ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন তিনি। ওই সফরে তাঁর সঙ্গে প্রায় ২০০ কর্মকর্তার একটি বহর ছিল। এবার তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা থাকার কথা রয়েছে।

২০১৯ সালের সফরের পরের বছরই ভারত-চীন সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়। ২০২০ সালের জুনে লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের পর দিল্লি ও বেইজিংয়ের সম্পর্ক দীর্ঘ সময়ের জন্য তিক্ত হয়ে ওঠে।

দীর্ঘ বিরতির পর গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেইজিং সফর করেন। এর আগে ২০১৮ সালে সর্বশেষ চীন সফর করেছিলেন তিনি। মোদির বেইজিং সফরের পর থেকেই দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ধীরে ধীরে অচলাবস্থা কাটতে শুরু করে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। অরুণাচল প্রদেশ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের বিভিন্ন এলাকা নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে আসছে বেইজিং। ফলে শি জিনপিংয়ের আসন্ন ভারত সফরে দুই দেশের সম্পর্কের পাশাপাশি সীমান্ত ইস্যুও গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে শি জিনপিং ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হলে সীমান্তসহ দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তবে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতার বৈঠক হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, চীন ব্রিকস জোটকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং জোটের বিভিন্ন উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। চলতি বছর ভারত সফলভাবে ব্রিকস সম্মেলন আয়োজন করছে এবং এতে চীনের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

শি জিনপিংয়ের সফর নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কোনো মুখপাত্র মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category