বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন
Title :
বিএনপি জনগণের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মালয়েশিয়ায় বড় ধরনের অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশি আটক ভারতে সরকারি উদ্যোগে গোমূত্র ক্রয়, লিটারপ্রতি দর ২০ রুপি ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু আকাশেই গতিপথ বদলাতে পারে ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র: আইআরজিসি হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের অবদান নেই: রিজভী নয়াদিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে ব্যবসায়িক সুবিধা নেওয়ার দিন শেষ: অর্থমন্ত্রী

হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী

  • Update Time : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২ Time View

হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; স্থানীয় জনগোষ্ঠী, বন বিভাগের কর্মী, গবেষক, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বিশ্বজুড়ে ঐক্য গড়ি, হাতির জীবন রক্ষা করি।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, ২০১৫ সালের জরিপ অনুযায়ী দেশে ২৬৮টি স্থায়ী বন্য হাতি, ৯৩টি পরিযায়ী হাতি এবং ৯৬টি পোষা হাতি ছিল। ২০২৭ সালের মধ্যে দেশে নতুন করে হাতি জরিপ পরিচালনা করা হবে। বনের আয়তন কমে যাওয়া, আবাসস্থল ধ্বংস ও অবৈধ শিকারের কারণে হাতির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাতি ও তার বিচরণক্ষেত্র রক্ষা মানেই বন, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা।

মানুষ ও হাতির সংঘাত নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সংঘাত এড়াতে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে ১৫৯টি ‘এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম’ (ইআরটি) গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্যপ্রাণী দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিতে ‘ক্ষতিপূরণ বিধিমালা, ২০২১’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিহতদের পরিবার, আহত ব্যক্তি ও ফসলের ক্ষতির শিকার মোট ৩ হাজার ৫০৬টি পরিবারকে প্রায় ১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা যেন দ্রুততম সময়ে ক্ষতিপূরণের অর্থ পান, সে বিষয়ে বন অধিদপ্তরকে কঠোর নির্দেশ দেন তিনি।

প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন) ড. মো. সাইমুম পারভেজ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম। এ ছাড়া আরণ্যক ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আব্দুল মোতালেব অনুষ্ঠানে হাতি সংরক্ষণের নানা তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category