শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩২ অপরাহ্ন
Title :
যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ৫ দিনের আলটিমেটাম রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবারও ৪ দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্য সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিনের সূচিতে ১০ কর্মসূচি: মাহদী আমিন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী মক্কা হামলার অভিযোগ ঘিরে হুতিদের ‘সন্ত্রাসী’ বললেন সৌদি বাদশাহ জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয়: তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতেই এগোবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • Update Time : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬৮ Time View

বাংলাদেশ আর কোনো দেশের ‘ক্লায়েন্ট স্টেট’ বা নির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম বড় অর্জন হলো দেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। কোনো ধরনের নির্ভরশীলতা নয়, বরং নিজস্ব অবস্থান শক্তিশালী করাই হবে দেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য।

দুই বছর আগের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়কার পরিস্থিতির কথা স্মরণ করে ড. খলিলুর রহমান বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাণহানি, দমন-পীড়ন এবং ইন্টারনেট বন্ধের মতো ঘটনা আন্তর্জাতিক মহল গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিল। তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি ছিল একটি ভয়াবহ ও অন্ধকার সময়।

তিনি জানান, তৎকালীন সময়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা হয়েছিল, যা সহিংসতা কমাতে এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ তৈরি করতে ভূমিকা রেখেছিল।

অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সে সময় সরকারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক রূপান্তর সম্পন্ন করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। এসব চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের যে অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছিল, তা আবারও শক্তিশালী হচ্ছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। দেশের স্বার্থকে সামনে রেখেই সব ধরনের কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচনে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে ড. খলিলুর রহমান বলেন, এটি সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং দেশের কূটনীতিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তরুণরা দেশকে একটি কঠিন পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করেছে। এখন ভালোবাসা, মেধা ও দায়িত্ববোধ দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব সবার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category