বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন
Title :
কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক পর্যটন নগরী: অর্থমন্ত্রী বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের বিষয়ে স্পিকার ও ইসিকে জামায়াতের চিঠি চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সৌজন্য সাক্ষাৎ অপরাধ সংক্রান্ত টিআইবির তথ্য ও পুলিশের পরিসংখ্যানে গরমিল: ডিএমপি কমিশনার হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় মোদি সরকার রাষ্ট্রপতির বিষয়ে বিএনপিকে সতর্ক করা হলেও গুরুত্ব দেয়নি: আসিফ মাহমুদ অসুস্থতার মধ্যেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা ককরোচ পার্টি প্রধানের রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে বিশ্বমানের বিনিয়োগ ও উৎপাদনের হাব বানানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের বিষয়ে স্পিকার ও ইসিকে জামায়াতের চিঠি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৫ Time View

জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চিঠি দিয়েছে দলটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ চিঠি দেন।

ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নৈতিক স্খলনের অভিযোগ এনে গত বুধবার গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াত। এরপর থেকেই আলোচনায় আসে, দলীয় সিদ্ধান্তের পর তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না।

এর আগে কোনো সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে কিংবা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ভোট দিলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হওয়ার নজির থাকলেও শুধু দল থেকে বহিষ্কারের কারণে এমপি পদ বাতিলের কোনো দৃষ্টান্ত নেই।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হবে। অন্যদিকে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দুই বছরের বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলে তার পদ বাতিল হতে পারে। সাজা ভোগের পর পাঁচ বছর পর্যন্ত তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য থাকবেন না।

তবে জামায়াত গাজী নজরুল ইসলামকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে বহিষ্কার করলেও বিষয়টি আদালতের রায় নয় এবং তার বিরুদ্ধে কোনো কারাদণ্ডও হয়নি। তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেননি কিংবা দলের বিপক্ষে ভোটও দেননি। ফলে সংবিধানের ৬৬ ও ৭০ অনুচ্ছেদের কোনোটিই সরাসরি তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছেন সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

সংবিধানের ৬৬(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে বিষয়টি শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

এ ছাড়া সংসদ সদস্য আইন-১৯৮১ এর ৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলে ৩০ দিনের মধ্যে স্পিকার বিরোধের বিবরণ তৈরি করে শুনানির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন। তবে এই বিধান মূলত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সম্পর্কিত।

এদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর ১২(খ) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে বা পদে বহাল থাকতে পারবেন না, যদি তিনি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী না হন অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত না হন।

২০০৮ সালে যুক্ত হওয়া এই বিধানের কারণে গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে কয়েকজন আইন বিশেষজ্ঞ মত দিয়েছেন। তাদের মতে, দলীয় মনোনয়ন হারানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category