গাজীপুরের শ্রীপুরে স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালক হত্যাকাণ্ডে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া পাঁচটি মরদেহের সঙ্গে একই ধরনের কম্পিউটারে টাইপ করা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি মরদেহের ওপর রাখা কাগজে একই বক্তব্য সম্বলিত একটি অভিযোগপত্র ছিল, যা গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি বরাবর লেখা। তবে ওই অভিযোগপত্রটি থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হয়েছিল কি না বা গ্রহণ করা হয়েছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গাজীপুর জেলা পুলিশের কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান জানান, উদ্ধার করা কাগজপত্রগুলো যাচাই করা হচ্ছে। এগুলো প্রকৃত অভিযোগপত্র নাকি অন্য কোনোভাবে তৈরি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে ওই অভিযোগপত্রে পারিবারিক বিরোধ ও পরকীয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ আছে, স্ত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের অভিযোগ ছিল। তবে এসব তথ্যের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ।
উল্লেখ্য, শুক্রবার গভীর রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। সেখানে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে।
নিহতরা হলেন ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন খানম (৪০), তাদের তিন মেয়ে মিম (১৬), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল (২২)। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে এবং বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে।