সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
Title :
একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্প ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী: মহেশখালী, বাঁশখালী ও হাঠহাজারী সফর হাইমচরে প্রাইভেটকারে ২০ কেজি গাঁজা, চালক আটক সীমালঙ্ঘন নয়, গতি কমিয়ে জনগণের পাশে থাকুন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদ বিরোধী দল হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: জুবাইদা রহমান শেখ হাসিনার নির্দেশে সালাহউদ্দিন আহমেদকে গুম করা হয়েছিল পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দার ফাঁদে পড়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাইলট গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধ থেকে সরে আসার পরামর্শ মার্কিন সেনাপ্রধানের

ব্যাংকিং খাত সংস্কারে আইএমএফের স্পষ্ট রোডম্যাপ তলব

  • Update Time : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১১৬ Time View

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং নীতিগত সংস্কারের লক্ষ্যে একটি সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ চেয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথে বৈঠককালে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল এই চাহিদা তুলে ধরে।

বৈঠকে দেশের বর্তমান সামষ্টিক অর্থনীতির সূচক, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আইএমএফ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ার অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করলেও একে আরও কাঠামোবদ্ধ করার তাগিদ দিয়েছে। সংস্থাটি মনে করে, একটি লিখিত ও স্পষ্ট রোডম্যাপ থাকলে ব্যাংকিং খাতে দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।

রিজার্ভ ও বিনিময় হার:
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং বিনিময় হারকে বাজারভিত্তিক করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছে আইএমএফ। মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো কার্যকর বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে আগামী এপ্রিলে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় আইএমএফের স্প্রিং মিটিংয়ের পর। এরপর একটি রিভিউ মিশন বাংলাদেশ সফর করে সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে।

উল্লেখ্য, আইএমএফের সাথে বাংলাদেশের ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ, তবে ১৮৬ কোটি ডলার এখনো বাকি। গত ডিসেম্বরে ষষ্ঠ কিস্তি পাওয়ার কথা থাকলেও তা ঝুলে আছে। আগামী ১৩ থেকে ১৮ এপ্রিল ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে ঋণ ছাড়ের বিষয়টি প্রধান্য পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category