শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
Title :
চীনের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমাদেরও রপ্তানির সুযোগ রয়েছে: মাহদী আমিন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে সরকার কাজ করছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু মধুপুরে কূপে নিহত চারজনের পরিবারকে এক লাখ টাকা সহায়তা ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই চীনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাশিয়া, চীন ও তুরস্ককে আমি যুদ্ধের বাইরে রেখেছি: ট্রাম্প শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের বৈঠক লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে আদ্-দ্বীনের আপিল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে নদীতে গোসলে নেমে ৩ নারীর মৃত্যু

ব্যাংকিং খাত সংস্কারে আইএমএফের স্পষ্ট রোডম্যাপ তলব

  • Update Time : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৬ Time View

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং নীতিগত সংস্কারের লক্ষ্যে একটি সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ চেয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথে বৈঠককালে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল এই চাহিদা তুলে ধরে।

বৈঠকে দেশের বর্তমান সামষ্টিক অর্থনীতির সূচক, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আইএমএফ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ার অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করলেও একে আরও কাঠামোবদ্ধ করার তাগিদ দিয়েছে। সংস্থাটি মনে করে, একটি লিখিত ও স্পষ্ট রোডম্যাপ থাকলে ব্যাংকিং খাতে দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে।

রিজার্ভ ও বিনিময় হার:
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং বিনিময় হারকে বাজারভিত্তিক করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছে আইএমএফ। মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো কার্যকর বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে আগামী এপ্রিলে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় আইএমএফের স্প্রিং মিটিংয়ের পর। এরপর একটি রিভিউ মিশন বাংলাদেশ সফর করে সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে।

উল্লেখ্য, আইএমএফের সাথে বাংলাদেশের ৫৫০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে ৩৬৪ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ, তবে ১৮৬ কোটি ডলার এখনো বাকি। গত ডিসেম্বরে ষষ্ঠ কিস্তি পাওয়ার কথা থাকলেও তা ঝুলে আছে। আগামী ১৩ থেকে ১৮ এপ্রিল ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে ঋণ ছাড়ের বিষয়টি প্রধান্য পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category