শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
Title :
ফ্রান্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী’র সংবর্ধনা অনুষ্ঠান স্থগিত: প্রবাসী মহলে ব্যাপক আলোচনা চীনের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমাদেরও রপ্তানির সুযোগ রয়েছে: মাহদী আমিন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে সরকার কাজ করছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু মধুপুরে কূপে নিহত চারজনের পরিবারকে এক লাখ টাকা সহায়তা ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই চীনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাশিয়া, চীন ও তুরস্ককে আমি যুদ্ধের বাইরে রেখেছি: ট্রাম্প শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের বৈঠক লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে আদ্-দ্বীনের আপিল

ফ্যামিলি কার্ডের জন্য ৩৭৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার চূড়ান্ত

  • Update Time : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৯ Time View

সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ভাতা দেওয়ার জন্য সারাদেশে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার চূড়ান্ত করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীস্থ টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

পাইলট প্রকল্পের প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ পর্যায়ে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত হিসেবে ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়। পরে ডাবল ডিপিং, সরকারি চাকরি, পেনশনসহ বিভিন্ন কারণে বাদ দিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে ভাতার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারীপ্রধান পরিবারকে একটি আধুনিক ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন চিপ, বারকোড এবং এনএফসি প্রযুক্তি সম্বলিত এই কার্ড ব্যবহার করা হবে। একটি পরিবারের পাঁচজন সদস্যের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে। তবে যৌথ বা বড় পরিবার হলে সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। উপকারভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী তার মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবেই এ অর্থ জমা হবে।

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের বেতন, ভাতা, অনুদান বা পেনশনপ্রাপ্ত পরিবারের সদস্য থাকলে কিংবা পরিবারপ্রধান নারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারী হলে সেই পরিবার এ সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবে না।

পাইলট পর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি প্রায় ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম তৈরি ও কার্ড প্রস্তুতিসহ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category