ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ জোহর কুষ্টিয়ার ঈদগাহ ময়দানে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গোটা ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুর রহমান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশের কাছে লিখিত জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি আসমা সাদিয়া রুনাকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, বদলি এবং বেতন বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষোভের জেরেই তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইমাম হোসেন জানান, ফজলুর রহমানের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নত। তবে বর্তমানে মুখে কথা বলার অবস্থা না থাকায় তিনি লিখিতভাবে প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। তিনি দুই পৃষ্ঠার একটি লিখিত জবানবন্দি দিয়েছেন, যেখানে অপরাধের কথা স্বীকার করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিহত শিক্ষিকার পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর ভাসুর বলেন, কর্মস্থলে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তিনি অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পেছনে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে মামলার প্রস্তুতি ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।