শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
Title :
ফ্রান্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী’র সংবর্ধনা অনুষ্ঠান স্থগিত: প্রবাসী মহলে ব্যাপক আলোচনা চীনের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমাদেরও রপ্তানির সুযোগ রয়েছে: মাহদী আমিন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে সরকার কাজ করছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু মধুপুরে কূপে নিহত চারজনের পরিবারকে এক লাখ টাকা সহায়তা ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই চীনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাশিয়া, চীন ও তুরস্ককে আমি যুদ্ধের বাইরে রেখেছি: ট্রাম্প শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের বৈঠক লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে আদ্-দ্বীনের আপিল

শেখ হাসিনার গণহত্যার বর্ণনা সংসদে তুলে ধরবেন রাষ্ট্রপতি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮০ Time View

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ শুরু হচ্ছে। অধিবেশনের সূচনাদিনেই সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এবারের ভাষণে গত সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে দুর্নীতি, অনিয়ম ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার নানা দিক তুলে ধরা হতে পারে।

একই সঙ্গে ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে উত্থাপিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগও ভাষণে স্থান পেতে পারে।

মন্ত্রিপরিষদ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলোও রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে প্রাধান্য পাবে। সংবিধান অনুসারে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন এবং প্রতি বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ প্রদান করেন। ওই ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব আনা হয় এবং সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে আলোচনা করেন।

অধিবেশনের শেষ দিনে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। তবে রাষ্ট্রপতির ভাষণ তার দপ্তর প্রস্তুত করে না; বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার তথ্য নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ খসড়া তৈরি করে, যা পরে মন্ত্রিসভার অনুমোদন পায়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ভাষণের খসড়া ইতোমধ্যে প্রস্তুত হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই চলছে। অনুমোদনের জন্য তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। জানা গেছে, প্রায় দেড়শ পৃষ্ঠার এই ভাষণের পূর্ণাঙ্গ অংশ রাষ্ট্রপতি পাঠ করবেন না; গুরুত্বপূর্ণ অংশ সংসদে উপস্থাপন করবেন, বাকিটুকু পঠিত বলে গণ্য হবে।

সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপট, জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ও ভাষণে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। পাশাপাশি আগের তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা, বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ, গুম ও নির্যাতনের প্রসঙ্গও উঠে আসতে পারে।

১২ মার্চের অধিবেশন প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্ধারিত তারিখে অধিবেশন বসবে—এটুকুই তিনি জানেন। এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করেননি। আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানও রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে মন্তব্য করতে অনীহা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণে তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা স্থান পেয়েছিল। সে সময় নির্বাচনের সাফল্য, গণতান্ত্রিক অগ্রগতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়। এবারের ভাষণে সেই ধারার পরিবর্তে নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার প্রতিফলিত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল ধারণা করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category