সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
Title :
দক্ষিণ আফ্রিকায় একের পর এক নারীর মরদেহ, বাড়ছে সিরিয়াল কিলারের আতঙ্ক ছাত্র আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে ‘সামনে একটি সাপ ও একটি জামায়াত এলে আগে জামায়াত সম্পর্কে সাবধান হতে হবে’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভয়াবহ সংঘাতের জন্য প্রস্তুত ইরান: আব্বাস আরাগচি আইফোন হাতিয়ে নিতেই অপ্রতিম হত্যা, সাত দিন আগে হয়েছিল পরিকল্পনা: তিন আসামির জবানবন্দি শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে: জ্বালানিমন্ত্রী গাজাসহ ফিলিস্তিনে ১ কোটি মানুষের খাবারের ব্যবস্থা আরব আমিরাতের হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু রাড্ডায় ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শরীয়তপুরে ২৮৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • Update Time : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২৩৭ Time View

শরীয়তপুরের জাজিরায় লকডাউন কর্মসূচিকে ঘিরে সংঘর্ষ, বিক্ষোভ মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২৮৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫০০-৭০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপুকে।

গত ১৪ নভেম্বর পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার এসআই মো. আকরাম হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগ রয়েছে এ তালিকায় এমন অনেকের নাম যুক্ত হয়েছে, যারা ঘটনাস্থলে ছিলেনই না বা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। নির্দোষ মানুষকে আসামি বানিয়ে পুলিশ তল্লাশির নামে হয়রানি করছে বলে দাবি করেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, ১৩ নভেম্বর ভোরে পদ্মা সেতু এলাকায় বিক্ষোভ ও ককটেল বিস্ফোরণের সময় কিছু দুষ্কৃতকারী সড়ক অবরোধ করে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ রাখে। এ সময়ে স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তাদের রিমান্ডে নিলে প্রকৃত সত্য বের হয়ে আসবে-এমন মত প্রকাশ করেন তারা।

মামলার ৬৮ ও ৬৯ নম্বর আসামি রাসেদ সরদার ও ইমরান সরদার অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার সময় আমরা শরীয়তপুর শহরেই ছিলাম। কারো ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়ে আমাদের নাম আসামিদের তালিকায় ঢোকানো হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে আমরা মুক্তি চাই।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম পিপিএম জানান, যাচাই-বাছাই করেই মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তারপরও যদি নিরীহ কেউ আসামি হয়ে থাকেন, বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

শহরের সাধারণ মানুষ প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে নির্দোষদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category