শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
Title :
যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ৫ দিনের আলটিমেটাম রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবারও ৪ দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্য সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিনের সূচিতে ১০ কর্মসূচি: মাহদী আমিন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী মক্কা হামলার অভিযোগ ঘিরে হুতিদের ‘সন্ত্রাসী’ বললেন সৌদি বাদশাহ জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয়: তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক

ট্রাম্প আরোপিত অধিকাংশ শুল্কই অবৈধ: মার্কিন আদালত

  • Update Time : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৭ Time View

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতির ওপর একটি বড় আইনি আঘাত এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আপিল আদালত এক রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত অতিরিক্ত শুল্কের বেশিরভাগই অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন।

আদালত বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক পাওয়ার্স অ্যাক্ট (আইইইপিএ) আইনের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। রায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কেবলমাত্র কংগ্রেসের, প্রেসিডেন্টের নয়। আদালতের ১১ জন বিচারকের একটি প্যানেলে ৭ জন বিচারক ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে অবৈধ ঘোষণা করেন।

আদালতের এই রায় আসার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, এই রায় যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতি ‘আক্ষরিক অর্থেই ধ্বংস হয়ে যাবে’। তিনি আরও বলেন যে, শুল্ক প্রত্যাহার হলে তা দেশের জন্য ‘শতভাগ বিপর্যয়’ হবে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেবে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করব এবং আদালত ভালোভাবেই জানেন যে (চ্যালেঞ্জ করা হলে) যুক্তরাষ্ট্র জিতবে।’

আপিল আদালত ট্রাম্পকে রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য সময় দিয়েছেন। রায়ে বলা হয়েছে, আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত এই রায় কার্যকর হবে না। ওই দিন মামলাটি সর্বোচ্চ আদালতে উঠবে এবং সেখানেই চূড়ান্ত রায় দেওয়া হবে।

এই রায়ের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে, আবার কেউ বলছেন, এটি দেশীয় শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category