বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
Title :
১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমলো ৩৫৭ টাকা প্রাথমিকে কাটছে প্রধান শিক্ষক সংকট খামেনির শেষবিদায় অনুষ্ঠানে হামলার শঙ্কা, তেহরানের হুঁশিয়ারি আমরা ফিলিস্তিনকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসি: রাষ্ট্রদূতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশের অভ‍্যন্তরীণ ইস্যুতে চীন কারো হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না: রাষ্ট্রদূত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনাকে টপকে ফিফা র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে ফ্রান্স গরু জবাইয়ে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে থালাপতির সরকার ঢাকা ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতির বিষয়ে জানলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের নামে ক্রিপ্টোকারেন্সি, দাম আকাশছোঁয়া

  • Update Time : সোমবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৭৭ Time View

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজের নামে ক্রিপ্টোকারেন্সি চালু করেছেন। এর বাজারমূল্য দ্রুত কয়েক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গেছে। স্থানীয় সময় সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়ার আগে ট্রাম্পের নামে একটি মিম কয়েন প্রকাশ করা হয়। খবর বিবিসির।

সিআইসি ডিজিটাল এলএলসি নামে প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে কয়েকটি বাজারে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটি এর আগেও ট্রাম্প ব্র্যান্ডের জুতা ও সুগন্ধি বিক্রি করেছে। মিম কয়েন সাধারণত কোনো ভাইরাল ইন্টারনেট ট্রেন্ড বা কোনো আন্দোলনকে জনপ্রিয় করতে ব্যবহৃত হয়। তবে এগুলোর নিজস্ব কোনো মূল্য নেই এবং সেগুলো অত্যন্ত অনিশ্চিত বিনিয়োগ।

শুক্রবার রাতে চালুর পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই $Trump-এর বাজারমূল্য প্রায় ৫০৫ কোটি ডলারে পৌঁছায়। কয়েন মার্কেট ক্যাপ ডটকম এ তথ্য জানিয়েছে। সিআইসি ডিজিটাল এলএলসি এবং এই মাসের শুরুতে ডেলাওয়্যারে প্রতিষ্ঠিত ফাইট ফাইট ফাইট এলএলসি মিলে এই টোকেনগুলোর ৮০ শতাংশ মালিকানা ধরে রেখেছে। ট্রাম্প এই উদ্যোগ থেকে ঠিক কত টাকা আয় করবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

টোকেনটির ওয়েবসাইট জানায়, প্রায় ২০০ মিলিয়ন টোকেন ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে এবং পরবর্তী তিন বছরে আরও ৮০০ মিলিয়ন টোকেন বাজারে আনা হবে।

ওয়েবসাইটে এটাও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই কয়েন কোনো বিনিয়োগের সুযোগ বা নিরাপত্তার বিষয় নয় এবং এটি কোনো রাজনৈতিক প্রচারণা, রাজনৈতিক পদ বা সরকারি সংস্থার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। সমালোচকরা অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প এই উদ্যোগের মাধ্যমে তার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন।

ক্রিপ্টো ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট নিক টোমাইনো এক পোস্টে বলেন, ট্রাম্পের ৮০ শতাংশ মালিকানা এবং শপথ গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা আগে এটি চালু করা প্রতারণামূলক এবং এতে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এরকম ডিজিটাল টোকেন প্রায়ই বাজারে আলোড়ন তুলে দাম বাড়িয়ে দেয়। এরপর মূল শেয়ার বিক্রি করে দেওয়া হয়। এতে দেরিতে কেনা লোকেরা প্রায়ই বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন। ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন শিল্পটিকে চাঙ্গা করবে।প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়ন্ত্রকরা জালিয়াতি এবং মানি লন্ডারিং নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ক্রিপ্টো কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে ট্রাম্প এর আগে ক্রিপ্টো নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। গত বছর ন্যাশভিলের এক বিটকয়েন সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ওয়াশিংটনে ফেরার পর আমেরিকা হবে ‘পৃথিবীর ক্রিপ্টো রাজধানী’। এর আগে গত বছর ট্রাম্পের ছেলে এরিক এবং ডোনাল্ড জুনিয়র নিজেদের ক্রিপ্টো উদ্যোগের ঘোষণা দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category