শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
Title :
আর্জেন্টিনাকে হারানো অসম্ভব নয়: কেপ ভার্দে কোচ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের ইতিহাসও মনে রাখতে হবে: বিরোধী দলকে জয়নুল আবদিন এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর ফতোয়ার জন্য এখন আর মাদ্রাসায় যেতে হয় না, সংসদেই দেওয়া হয়: জামায়াতের এমপি হাম উপসর্গ আরও ৬ মৃত্যু ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশিকে কুপিয়ে হত্যা বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা শুরু ফ্রান্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী’র সংবর্ধনা অনুষ্ঠান স্থগিত: প্রবাসী মহলে ব্যাপক আলোচনা চীনের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমাদেরও রপ্তানির সুযোগ রয়েছে: মাহদী আমিন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে সরকার কাজ করছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

দাবার বোর্ডেই চিরঘুমে এক কিংবদন্তি

  • Update Time : শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪
  • ৭২ Time View

দাবা ছিল জিয়াউর রহমানের ধ্যানজ্ঞান। জীবনের শেষ মুহূর্তটাও জিয়ার কাটালো দাবার বোর্ডেই। খেলার মধ্যে ক্রীড়াবিদদের মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। তবে বাংলাদেশে এমন ঘটনা এটাই প্রথম।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের দ্বিতীয় দাবাড়ু হিসেবে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতার অর্জন করেছিলেন ২০০২ সালে। ১৯৭৪ সালে তার জন্ম হয়েছিল দাবা পরিবারেই। বাবা পয়গাম উদ্দিন আহমেদ ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের দাবাড়ু। স্ত্রী তাসমিন সুলতানাও ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়।জিয়া-তাসমিন দম্পতির একমাত্র সন্তান তাহসিন তাজওয়ার জিয়াও দাবা খেলেন। তিনি এখন ফিদে মাস্টার। বাবা-পুত্র একসঙ্গেই খেলছিলেন চলমান জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ।বাবা-পুত্র একসঙ্গে দাবা অলিম্পিয়ার্ড খেলে অনন্য রেকর্ড গড়েছিলেন। এশিয়াতে কোনো পিতা-পুত্রের একসঙ্গে অম্পিয়ার্ডে খেলার নজির নেই। বিশ্বতেই এমন ঘটনা হাতে গোনা কয়েকটি।নিজেকে কিংবদন্তি পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া জিয়ার স্বপ্ন ছিল তার ছেলেকেও গ্র্যান্ডমাস্টার বানাবেন। ফিদেমাস্টার তাহসিন হয়তো একদিন বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। তখন জিয়াউর রহমান থাকবেন অন্তলোকে।জিয়া রাজধানীর গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। ১৯৯৩ সালে জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব লাভ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category