বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
Title :
বিএনপি জনগণের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মালয়েশিয়ায় বড় ধরনের অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশি আটক ভারতে সরকারি উদ্যোগে গোমূত্র ক্রয়, লিটারপ্রতি দর ২০ রুপি ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু আকাশেই গতিপথ বদলাতে পারে ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র: আইআরজিসি হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের অবদান নেই: রিজভী নয়াদিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে ব্যবসায়িক সুবিধা নেওয়ার দিন শেষ: অর্থমন্ত্রী

বাজারে অস্বস্তি, বেশিরভাগ সবজির মূল্যই চড়া

  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৭৭ Time View

বাজারে শীতকালীন সবজি উঠতে শুরু করলেও ক্রেতা পর্যায়ে নাগালে আসছে না দাম। এই অবস্থায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন বাজার করতে আসা মধ্য ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে এখনও পর্যাপ্ত সবজি আসেনি, যে কারণে দামও তুলনামূলক কিছুটা বেশি। তবে শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে এই দাম কমে আসবে।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাড্ডা, রামপুরা এলাকার বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারে সিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি, টমেটো ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, মুলা ৭০ টাকা, পটল ৮০, মিষ্টি কুমড়া ৫০ (কেজি), পেঁপে ২৫ টাকা, কাঁচামরিচ ২০০ টাকা কেজি।

এ ছাড়াও শসা ৮০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, আলু ৫৫ টাকা কেজি, ফুলকপি ৪০ টাকা (ছোট), বাঁধাকপি ৩০ টাকা (ছোট) দরে বিক্রি হচ্ছে।

জানা গেছে, শীতকালে বাজারে সাধারণত লাউ, মিষ্টি কুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপি, দেশি পিঁয়াজ, ভারতীয় পিঁয়াজ, বেগুন, মুলা, লালশাক, পালংশাক, পটোল, ঢেঁড়স, বরবটি, ঝিঙা, পেঁপে, আলু, করলা, কচু, শসাসহ বিভিন্ন ধরনের সবজিতে ভরপুর থাকে। তবে এ বছর টানা বৃষ্টির কারণে সবজি উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। যে কারণে বাজারে সবজি তুলনামূলক কম। তাই, সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরেই থাকছে শীতের সবজি।

বাজার করতে আসা বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী শামীম হাসান বলেন, শুক্রবার এলেই সবজি, মাছ-মাংসের দাম বেড়ে যায়। পরশু বাজার করে নিয়ে গেছি, ঢেঁড়স ছিল ৫০ টাকা, আজকে নাকি ৮০ টাকা। দুইদিনেই দেশে কী এমন হয়ে গেলো যে ৩০ টাকা দাম বেড়ে গেল? তার মানে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছে মতো দাম বাড়ায়। আর ব্যবসায়ীদের এই অনিয়ম যেন দেখার কেউ নেই।

তিনি বলেন, হয়তো এই দাম কিছু মানুষের জন্য কিছুই না, আমাদের মতো মধ্য-নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য অনেক কিছু। ৫০০ টাকা বাজারে নিয়ে গেলে ব্যাগ অর্ধেকও ভরে না, অথচ গত বছরখানেক আগেও এমন ছিল না।

দাম বেশি হওয়ার আরেকটি কারণ হলো, বাজারে সার কীটনাশকের দাম অনেক বেশি। তাছাড়া মজুরির দামও বেড়েছে। সবমিলিয়ে কৃষক পর্যায়েই এখন দামটা কিছুটা বেশি। সেটা যখন বিভিন্ন হাত ঘুরে আমাদের কাছে আসে, স্বাভাবিকভাবেই দামটা বেশি হওয়ার কথা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category