বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
Title :
বিএনপি জনগণের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মালয়েশিয়ায় বড় ধরনের অভিযানে ৩৭০ বাংলাদেশি আটক ভারতে সরকারি উদ্যোগে গোমূত্র ক্রয়, লিটারপ্রতি দর ২০ রুপি ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু আকাশেই গতিপথ বদলাতে পারে ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র: আইআরজিসি হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের অবদান নেই: রিজভী নয়াদিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে ব্যবসায়িক সুবিধা নেওয়ার দিন শেষ: অর্থমন্ত্রী

দেবরের মৃত্যুর সংবাদে ভাবির মৃত্যু

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৭৫ Time View

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান সবজি বিক্রেতা ফজলুর রশিদ (৩৯) নামের এক ব্যক্তি। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ঢাকা থেকে রওনা হন মৃতের বড় ভাই বজলুর রশিদ ও তার স্ত্রী নাইচ বেগম।

তবে সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পথিমধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান মৃতের ভাবি নাইচ বেগম (৪০)। একই পরিবারে দেবর ভাবির মৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বেগুনিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ফজলুর রশিদ সোমবার রাত পর্যন্ত তমালতলা হাটে সবজি বিক্রি করেছেন। পরে রাত ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

দ্রুত স্থানীয় পল্লী চিকিৎসককে খবর দিলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক এসে তাকে মৃত ঘোষনা করেন। ফজলুর মৃত্যু হার্ট অ্যাটকে হয়েছে বলে জানান ওই চিকিৎসক।

এদিকে ঢাকার একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরি করার সুবাদে সেখানেই থাকেন ফজলুর বড় ভাই বজলুর রশিদ। ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবর মোবাইল ফোনে পেয়ে স্ত্রী নাইচ বেগমকে সাথে নিয়ে বাড়িতে আসার জন্য রওনা হন।

বজলু তার স্ত্রীকে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর না জানিয়ে বাড়ীতে সমস্যার কথা বলে ঢাকার বাসা থেকে বের হন। হঠাৎ এভাবে রাতে বাড়ীর উদ্দেশ্যে যাওয়ার কথা শুনেই নাইচ অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ অবস্থায় বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হন তারা।

পথিমধ্যে গাজীপুরের কালিয়াকর এলাকার চান্দ্রা বাইপাস এলাকায় আসার পর নাইচ বেগমের বুকে ব্যাথা শুরু হয়। পরে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক না থাকায় তাকে অন্য একটি প্রাইভেট হাসপালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

নাইচ বেগমের আগে থেকেই হার্টের রোগ ছিলো, আর সেকারণেই তাকে প্রথমে ফজলুর মৃত্যুর খবর না জানিয়েই ভাড়া বাসা থেকে বের হন বজলুর রশিদ বলেও জানা যায়। পরে মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সকালে নাইচের লাশ বাগাতিপাড়ার বাড়িতে আনা হয়।

একই পরিবারের দেবর ভাবির মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় পাঁকা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ২টায় স্থানীয় স্কুল মাঠে মৃত ফজুলুর রশিদ ও নাইচ বেগমের জানাজা শেষে বেহুনিয়া সামাজিক গোরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন সম্পূর্ণ হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category