দিনাজপুরের তিনটি উপজেলায় হঠাৎ টর্নেডোর আঘাতে আশ্রয়ণের ঘরসহ শতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড হয়েছে। দুর্বিসহ জীবনযাপন করছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার নগদ অর্থ দেয়া হয়েছে।
তাছাড়া স্থানীয় সংসদ এমপির পক্ষ থেকেও থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দুবেলা খাবার দেয়া
হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মাঝেও সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক উপজেলা প্রশাসনও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরি করছেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘গতকাল দুপুরে আমি সংবাদ পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনকে আমি নির্দেশ দেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পাশে থাকার জন্য। আজকে আমি নিজে সকাল থেকে প্রতিটা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে পাশে গিয়েছি। তাদের খোঁজখবর নিয়েছি। সরকারের পাশাপাশি আমি নিজেও আর্থিক সহযোগিতা দিচ্ছি।’তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যাদের ঘরের টিন নষ্ট হয়ে গেছে তাদের টিন, চাল দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া অনেক পরিবার আছে যাদের চুলাটুকু পর্যন্ত নষ্ট হয়ে গেছে তাদেরকে গতকাল থেকে আমরা রান্না করা খাবার পৌঁছায় দিয়েছি। এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ঘরের টিন বৈদ্যুতিক তারের ওপরে ঝুলছে। আবার কোনো রাস্তার পাশে শতবর্ষী বয়সী গাছ উপড়ে পড়ে আছে।
ঝড়ের তাণ্ডবে হাকিমপুর নবাবগঞ্জ বিরামপুর উপজেলায় একশোর বেশি বাড়িঘর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরিবারগুলোকে দেওয়া হচ্ছে নগদ অর্থ শুকনো খাবার সহ ঘরে টিন।