সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
Title :
রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল আকাশপথের জটিলতায় রূপপুরের ইউরেনিয়াম চালান পিছিয়ে গেল দুদকের দুই প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ি সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভাঙচুরের পরও রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চলছে শিশুদের টিকাদান প্রিজন ভ্যান থেকে ২৫ মামলার আসামি ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, সাময়িক বরখাস্ত ৫ পুলিশ সদস্য চীনের কাছেই অ*স্ত্র বিক্রির প্রস্তাব ট্রাম্পের দক্ষিণ আফ্রিকায় একের পর এক নারীর মরদেহ, বাড়ছে সিরিয়াল কিলারের আতঙ্ক ছাত্র আন্দোলনের চাপে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচ আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে

আমি দেশেই থাকবো, আমি মুক্তিযোদ্ধা সেইফ এক্সিট আমার জন্য নয়: ফারুক-ই-আজম

  • Update Time : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬৪ Time View

“আমি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা, তাই সেইফ এক্সিট আমার জন্য নয়। আমি এ দেশেই থাকবো”— এমন মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।

রোববার বরিশাল সরকারি বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। টাইফয়েডের মতো প্রাণঘাতী রোগ প্রতিরোধে সরকারের এই উদ্যোগ ঐতিহাসিক।

আজ থেকে সারাদেশে প্রথমবারের মতো টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এক মাসব্যাপী এ কর্মসূচিতে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ৫ কোটি শিশু-কিশোর-কিশোরীকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে। জন্মসনদ না থাকলেও শিশুরা এই টিকা পাবে।

বরিশালে কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।

তিনি বলেন, “রোগ হওয়ার পর চিকিৎসা নয়, আগে থেকেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।”

এর পরে দুপুর সাড়ে ১২টায় বরিশাল জিলা স্কুলে টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

বরিশাল বিভাগে ২৬ লাখ ১৪ হাজার শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে। ১২ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং ১ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। পথশিশুরাও এ কর্মসূচির বাইরে থাকবে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে এই টিকা, যা সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহযোগিতায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুমোদিত এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং নেপাল ও পাকিস্তানসহ আটটি দেশে সফলভাবে ব্যবহার হয়েছে।

সরকারের লক্ষ্য—এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৪ কোটি ৯০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১ কোটি ৬৮ লাখ শিশু নিবন্ধন করেছে। নিবন্ধন ছাড়াও সরাসরি টিকাকেন্দ্রে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তায় টিকা নেওয়া যাবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম ১০ দিন টিকাদান চলবে, পরবর্তী ৮ দিন ইপিআই সেন্টারে টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category