শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
Title :
চীনের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমাদেরও রপ্তানির সুযোগ রয়েছে: মাহদী আমিন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে সরকার কাজ করছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু মধুপুরে কূপে নিহত চারজনের পরিবারকে এক লাখ টাকা সহায়তা ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই চীনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাশিয়া, চীন ও তুরস্ককে আমি যুদ্ধের বাইরে রেখেছি: ট্রাম্প শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের বৈঠক লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে আদ্-দ্বীনের আপিল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে নদীতে গোসলে নেমে ৩ নারীর মৃত্যু

যারা নিজেরা টর্চারের শিকার, তারা কীভাবে গুম আইন বাতিল করে: ব্যারিস্টার আরমান

  • Update Time : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৪ Time View

যারা নিজেরা গুমের শিকার হয়েছেন, ফ্যাসিস্ট আমলে বিভিন্ন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তারা কীভাবে গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ এবং মানবাধিকার কমিশন আইন বাতিলের পরামর্শ দেয় তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান। অধ্যাদেশে প্রয়োজনীয় সংশোধনী থাকলে আইন আকারে পাসের পর সংশোধন করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার বিকেলে সংসদ অধিবেশন চলাকালে পয়েন্ট অব অর্ডারে কান্নাভেজা কণ্ঠে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘদিন গুমের শিকার এই সংসদ সদস্য।

পয়েন্ট অব অর্ডারে ব্যারিস্টার আরমান বিন কাসেম প্রথমে গুম থাকাকালীন অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি আজকে এখানে দাঁড়িয়ে আছি একটি অন্ধকার ঘর থেকে ফিরে এসে। এখানে আমার মত আরো শত শত লোককে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু আর ফিরে আসার সৌভাগ্য তাদের অনেকের হয়নি।

তাদের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ বিষয় আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমরা যারা গুমের শিকার, সে অন্ধকার ঘরে আমরা মৃত্যুর প্রহর গুণছিলাম। আমরা মনে করেছিলাম এই অন্ধকার ঘরে আমাদের মৃত্যু হচ্ছে, হয়তো আমাদের হত্যা করবে, এখানে আমাদের মৃত্যু হবে। কথা বলার কেউ ছিল না আমাদের, কিট-পতঙ্গ, পিপড়া, টিকটিকির সাথে কথা বলতাম।

ব্যারিস্টার আরমান আরও বলেন, বুঝতে পারতাম না বাইরে দিন না রাত। মনে হত জীবন্ত কবর দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মনে হত মৃত্যু এর থেকে হাজার গুণ ভাল। মনে করতাম যে আজকে রাতে হয়তো হত্যা করা হবে। এভাবে মৃত্যুর প্রহ যখন গুণছিলাম।

একদিন রাতে টেনে-হিঁচড়ে যখন আমাকে সেখান থেকে বের করছে, আমি ধরে নিয়েছি এখন আমাকে হত্যা করা হচ্ছে। আমি সুরা ইয়াসিন পড়া শুরু করলাম যেন মৃত্যুটা সহজ হয়। পরে জানতে পারলাম কিছু বাচ্চা ছেলে-মেয়ে জীবন দিয়ে, চোখ হারিয়ে আমাদেরকে আবার দুনিয়া দেখার সুযোগ করে দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category