স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া আইনি জটিলতার কারণে কিছুটা সময় নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বুধবার দুপুরে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন এই পাঁচ স্তরের নির্বাচন নিয়ে যে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছিল, তা বর্তমানে জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটিতে রয়েছে। তিনি বলেন, “সংসদে এই অধ্যাদেশগুলো আইন হিসেবে পাস হওয়ার পরই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। আমরা নির্বাচিত সরকার হিসেবে দ্রুততম সময়ে সাধারণ প্রতীকে (দলীয় প্রতীক ছাড়া) নির্বাচন আয়োজন করতে চাই।”
উপজেলা ও পৌরসভায় নতুন করে কোনো প্রশাসক নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে যারা প্রশাসকের দায়িত্বে আছেন, তারাই নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে কোনগুলো আইন আকারে রাখা হবে, তা আগামী এক মাসের মধ্যে চূড়ান্ত করা হবে এবং এরপরই নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনের পর প্রতিমন্ত্রী রাসিক নগর ভবনে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সভায় রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. জিল্লুর রহমান সভায় অংশগ্রহণ করেন।