কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে নাফ নদী এলাকায় মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় আবারও একজন রোহিঙ্গা নাগরিক গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। এতে ডান পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। গত কয়েকদিনে একই ধরনের একাধিক ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে পালংখালী ইউনিয়নের ১৯ নম্বর সীমান্ত পিলার সংলগ্ন নাফ নদীতে মাছ ধরতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তি মোহাম্মদ ইউনুছ (৩০), উখিয়ার থাইংখালী ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-২ ব্লকের বাসিন্দা সবুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনুছসহ কয়েকজন জেলে সীমান্ত নদীতে মাছ ধরার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে ইউনুছের ডান পা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বিজিবির উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিস্ফোরণটি মিয়ানমার অভ্যন্তরে ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত ১৭ দিনের ব্যবধানে উখিয়ার বালুখালী ও পালংখালী সীমান্ত এলাকায় একই ধরনের স্থলমাইন বিস্ফোরণে আরও তিনজন রোহিঙ্গা পা হারিয়েছেন। এসব ঘটনায় স্থানীয় জেলে ও সীমান্তবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সীমান্ত পরিস্থিতি ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এবং এ বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।