বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান তাঁর ব্যক্তিগত বেসরকারি (প্রাইভেট) পাসপোর্ট নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
ইমিগ্রেশনে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ভারতে প্রবেশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
সম্প্রতি একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে দিল্লি গিয়ে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের বাধার মুখে পড়েন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এবং দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অবস্থানের পর সোমবার দুপুরে তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জনের সৃষ্টি হলে অবশেষে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য স্পষ্ট করেছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, জাহেদ উর রহমান তাঁর ব্যক্তিগত পাসপোর্ট নিয়ে দিল্লিতে এসেছিলেন এবং তাঁর পাসপোর্টে সার্ক ভিসা ছিল।
ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায় তিনি একটি বিশেষ সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছেন এবং সব প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে ভারতের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
মুখপাত্র জয়সওয়াল আরও যোগ করেন, যদিও সমস্ত অনুমতি পাওয়ার পর তিনি আর সম্মেলনে যোগ না দিয়ে নিজ সিদ্ধান্তেই ঢাকা ফিরে যাওয়ার পথ বেছে নেন।
উল্লেখ্য যে জাহেদ উর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং তাঁর পদমর্যাদা একজন প্রতিমন্ত্রীর সমান।
এই ঘটনার পর ঢাকা ও দিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হলে ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে ডেকে কড়া প্রতিবাদপত্র তাঁর হাতে তুলে দেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
সূত্র: বিবিসি বাংলা