দেশের সীমিত সম্পদের মধ্যেও সব নাগরিককে বিবেচনায় রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, কাউকে বাইরে রাখা হয়নি, সবার জীবনমান ও সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় নিয়েই বাজেট তৈরি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার আগে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপসহ সব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই বাজেট সাজানো হয়েছে, যাতে সীমিত সম্পদের মধ্যেও জনগণের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, এবারের বাজেটে দেশীয় শিল্প ও উৎপাদন খাতকে উৎসাহ দিতে করছাড় ও ভ্যাট অব্যাহতির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কিছু আমদানিনির্ভর ও বিলাসী পণ্যের ওপর শুল্ক ও কর বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে স্থানীয় শিল্প সুরক্ষা পায়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, নতুন করনীতির লক্ষ্য দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো, শিল্পকে প্রতিযোগিতায় সক্ষম রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিরুৎসাহিত করা। এতে কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।