ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া প্রদেশে নিউজিল্যান্ডের এক পাইলটকে জিম্মি করেছে ওই অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধারা। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাপুয়ার নোদুগাতে অবতরণের আগে উড়োজাহাজে আগুন ধরে গেলে তাকে জিম্মি করা হয়। তবে বিমানটিতে থাকা
৭.৮ ও ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পকে রিখটার স্কেলে ‘বড়’ বলে ধরা হয়। যেটা ঘটেছে তুরস্ক ও সিরিয়ায়। ‘বড়’ ভূমিকম্প বলতে আসলে কী বোঝায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর আলোকে এখানে ব্যাখ্যা করা হলো। গত
বিশ্বে কম মজুরির শ্রম বাজার হিসেবে বেশ পরিচিত বাংলাদেশ। আর উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে লাভ বেশি করতে বাংলাদেশকে বেছে নেন বিদেশিরা। ফলে কানাডিয়ান কোম্পানিগুলোর কাছেও বাংলাদেশ আকর্ষণীয় স্থান বলে জানিয়েছেন কানাডা
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সর্বশেষ খবরে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ৯০০ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান। এর মধ্যে
সন্দেহভাজন চীনা নজরদারি বেলুনের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারের পর ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। ইউএস ফ্লিট ফোর্সেস কমান্ডের ফেসবুক পেজে বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয়। যাতে নৌকায় বড় একটি বেলুনের ধ্বংসাবশেষ দেখা
তুরস্ক-সিরিয়ার চারিদিকে শুধুই ধ্বংসস্তূপ। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে একের পর এক বের করে নিয়ে আসছে মরদেহ। আবার কখনো কখনো জীবিত লোকজনকেও উদ্ধার করা হচ্ছে। এর মাঝে আশায় বুক বেঁধে ধ্বংসস্তূপের ভেতরে স্বজনের খোঁজ করছেন অনেকে। গত
ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি প্রদেশে তিন মাসের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এ ঘোষণা দেন তিনি। খবর আলজাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল
শক্তিশালী ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্ত এলাকা। ২০০০ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ১০টির বেশি বড় ধরনের ভূমিকম্পের সাক্ষী হয়েছে বিশ্ব। ২০০১ সালের ২৬ জানুয়ারি।
তুরস্ক ও সিরিয়ায় আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ছুঁয়েছে। দুটি দেশে সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৯৪০ জন নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সোমবার
তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্পের একদিনের বেশি সময় পর ১৪ বছরের বালককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। কাহরামানমারাস শহরের ধ্বংসস্তূপ থেকে তাকে উদ্ধার করে উদ্ধারকর্মীরা। খবর সিএনএনের। সিএনএন তুর্কি ১৪ বছর বয়সী ওই