টানা এক মাস ধরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। নির্বিচার এই হামলায় এখন পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পাল্টা প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, গাজা শিশুদের কবরস্থানে পরিণত হচ্ছে। একইসঙ্গে ক্রমাগত অবনতি হওয়া পরিস্থিতি মানবিক যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তাকে আরও জরুরি করে তুলেছে। সোমবার (৬ নভেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে এক সংবাদ সম্মেলনে
হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের পর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার ভবিষ্যৎ কী হবে তা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ, অর্থাৎ পশ্চিম তীর অঞ্চলে ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠী নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন। এ জন্য পশ্চিম তীরে
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে হামলা তীব্র করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলি হামলায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে পুরো উপত্যকা। ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় প্রতিদিন শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। ৭ অক্টোবর যুদ্ধ
বর্তমানে জর্ডানে সফর করছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। এই সফরে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় তারা অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় সেখানে আর কোনো জায়গাই এখন নিরাপদ নেই বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা। এক বিবৃতিতে সংস্থাটির পরিচালক টমাস হোয়াইট জানিয়েছেন যে, সেখানকার বাসিন্দাদের বাঁচাতে
যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে অ্যাডমিরাল লিসা ফ্রানচেত্তির নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন সিনেট। এর ফলে তিনিই হচ্ছেন মার্কিন নৌবাহিনীর প্রথম নারী প্রধান। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি হাসপাতালে দুই সপ্তাহ আগে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে বিশ্বজুড়ে রোষানলে পড়েছিল দখলদার ইসরায়েল। ওই হামলায় একসঙ্গে ৫০০ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। এবার আরেকটি হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্সে
গত রাতের ভয়াবহ ভূমিকম্পে নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে পৌঁছেছে ১২৮ জনে এবং বিভিন্ন ধ্বংসস্তুপ থেকে এখন পর্যন্ত আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে অন্তত ১৪০ জনকে। পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ
পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা চুক্তি থেকে পুরোপুরিভাবে সরে গেলো রাশিয়া। পুতিন এই বিষয়ে আনা একটি আইনে সই করেছেন। মস্কোর দাবি, এই আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র টালবাহানা করছিল। সেজন্যই