বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
Title :
ব্যাংকিং খাত সংস্কারে আইএমএফের স্পষ্ট রোডম্যাপ তলব আইনি জটিলতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিলম্বিত: মীর শাহে আলম দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী বাস: মৃত্যু ৪, নিখোঁজ ৪৫ টাঙ্গাইলে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট: পাম্পে ‘নেই’ নোটিশ, বাইরে চড়া দাম স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য সামনে রেখে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী পরকীয়ার অভিযোগে সংসার ভাঙল অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদের ফ্যামিলি কার্ডে ঘুষ বা অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা: এমপি মিলন ঢাকাসহ দেশের ৬ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন নিউজ প্রেজেন্টার ও জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে এক মিনিটের ‘ব্ল্যাক আউট’ কর্মসূচি বাতিল

চেলসিতে জাইমা রহমানের সুযোগ পাওয়া নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করলেন আমিনুল হক

  • Update Time : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৫ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল প্যাশন এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়া সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আলোচনা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে উল্লেখ করেছেন তিনি।

আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে থাকাকালীন ফুটবল খেলতেন। সেই সূত্র ধরেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে তার খেলার সুযোগ এসেছিল। দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের স্কুলে গোলকিপিং করার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই শুনেছিলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ এলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান মেয়েকে লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে বলেছিলেন।

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাইমা রহমান যখন মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়েছিলেন, তখন গোলকিপিং নিয়ে তাদের মধ্যে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়।

সেদিনের স্মৃতি টেনে আমিনুল হক বলেন, জাইমা রহমান তাকে বলেছিলেন, ‘আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।’ মূলত জাইমা স্কুল পর্যায়ে কিপিং করতেন এবং লম্বা হওয়ায় এই পজিশনে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।

তিনি বলেন, ইউরোপে স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় তিনি বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category