রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
Title :
মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: জুবাইদা রহমান শেখ হাসিনার নির্দেশে সালাহউদ্দিন আহমেদকে গুম করা হয়েছিল পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দার ফাঁদে পড়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাইলট গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধ থেকে সরে আসার পরামর্শ মার্কিন সেনাপ্রধানের মেসির বাবা হোর্হে মেসি আর নেই এসএসসির ফল প্রকাশ সোমবার, যেভাবে জানা যাবে আর কোনো ঘরবাড়ি যেন নদীতে না যায়, এটা সরকারের ওয়াদা: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাংনীতে পরিত্যক্ত ১০টি ল্যান্ডমাইন ও ৫টি বক্স উদ্ধার মেসিকে হত্যার ছক, পুলিশের নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য রাশিয়া থেকে মিত্রকে দূরে সরানোর মিশনে সার্বিয়ায় জেলেনস্কির সফর

যেভাবে বিশ্বের শীর্ষ ধনী হলেন ইলন মাস্ক

  • Update Time : শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৫৮ Time View

বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক, যার মোট সম্পদের পরিমাণ ২৭৪ বিলিয়ন ডলার। সবসময় আলোচনায় থাকা ইলন মাস্ক প্রথম আয় করেন মাত্র ১২ বছর বয়সে। ২০২০ সালে ইলন মাস্কের সম্পদ ছিল ২৭ বিলিয়ন ডলার। দুই বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ১৯১ বিলিয়ন ডলার।

মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান স্পেস-এক্স, বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান টেসলা, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পেপাল কিংবা সম্প্রতি কিনে নেয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারের সাথে জড়িয়ে আছে বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্কের নাম।

সম্পদ অথবা ব্যক্তিগত জীবন দুই নিয়েই সবসময় আলোচনায় মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক।

যুক্তরাষ্ট্রের ফোবর্স ম্যাগাজিনের তালিকা অনুযায়ী এই ধনকুবের বিশ্বে ধনীদের তালিকায় রয়েছেন সবার ওপরে। তারপরই রয়েছেন ফরাসি ব্যবসায়ী বার্নার্ড আর্নল্ট ও ভারতের আদানি গ্রুপের গৌতম আদানি। তবে ইলন মাস্কের দাবি, তিনি এখনও তার মোট সম্পদের পরিমাণ জানেন না।১৯৭১ সালে ২৮ জুন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণ করা ইলন মাস্ক স্কুলে পড়ার সময়ই পদার্থবিজ্ঞানে পারদর্শী ছিলেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে নিজের তৈরি করা গেম বিক্রি করে তিনি আয় করেন ৫০০ ডলার। এরপর বিশ্বে ইন্টারনেট জনপ্রিয় হতে শুরু করলে ইলন মাস্ক ও তার ছোট ভাই মিলে প্রতিষ্ঠা করেন জিপ টু নামের কোম্পানি।

এর পাঁচ বছর পর ইলন মাস্ক ২০ বছর বয়সে ৩০০ মিলিয়ন ডলারে কোম্পাডের কাছে বিক্রি করে দেন জিপ টু। প্রতিষ্ঠা করেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান এক্স.কম, যা পরে পেপালের সাথে যুক্ত হয়। কিন্তু ২০০২ সালে সেই প্রতিষ্ঠানও দেড় বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ই-বে’র কাছে বিক্রি করে দেন।

সবচেয়ে বেশি সফলতার মুখ দেখে টেসলা ও তার নিজের প্রতিষ্ঠা করা মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান স্পেস-এক্স। বলা হয়, টেসলার শেয়ারের বদৌলতেই তার সম্পদ দ্রুত বেড়েছে।

২০২০ সালে ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৭ বিলিয়ন ডলারে। কিন্তু দুই বছরে তার সম্পদ ১৯১ বিলিয়ন ডলার বেড়ে হয়েছে ২১৮ বিলিয়ন ডলার। যা আগের থেকে ৮ গুণ বেশি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category