শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বেসিস সফটএক্সপোর তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার আইসিটি খাতে উন্নয়ন ও সুযোগবিষয়ক এক গোলটেবিল বৈঠকে একথা বলেন তিনি।
ইয়ামা কিমিনোরি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশে এসেছি মাত্র দুমাস হলো। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ঘুরে এবং এ শহরের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, বাংলাদেশের পরবর্তী স্মার্ট সিটি হবে নারায়ণগঞ্জ।’
তিনি বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ায় বাংলাদেশ যে ভিশন সামনে রেখে কাজ করছে, সেখানে আইসিটি খাতের গুরুত্ব ব্যাপক। এ খাতে ঠিকভাবে কাজ করলে বাংলাদেশ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে।
গোলটেবিল বৈঠকে গেস্ট অব অনার ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাইকার প্রধান প্রতিনিধি ইশিগুচি তমোহিদে। তিনি বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে বাংলাদেশ ও জাইকা একসঙ্গে কাজ করছে। যদিও জাইকা বর্তমানে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে, তবে ভবিষ্যতে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে জাইকার সব ধরনের সাহায্য পাবে বাংলাদেশ।
বিশেষ অতিথি আইসিটি সচিব শামসুল আরেফিন বাংলাদেশের আইসিটি খাতের উন্নতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘বাংলাদেশ আইসিটি খাতে অনেক দূর এগিয়েছে। সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকলে বাংলাদেশ আরও ভালো কিছু করতে সক্ষম হবে।’
তাছাড়া অনুষ্ঠানে জাপান-বাংলাদেশের মধ্যকার আইসিটি খাত সংশ্লিষ্ট একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়। পাশাপাশি জাপান-বাংলাদেশের মধ্যকার আইসিটি উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাইকার আইসিটি বিভাগের বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিরোকি ওতানাবে।