৫৯ লাখ অযোগ্য সুবিধাভোগীকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, পণ্য সরবরাহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনার মধ্যে এক ধরনের বৈষম্য রয়েছে। এ কারণে বাজারে এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীলতা আসেনি। তবে ভর্তুকির মাধ্যমে টিসিবি যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তা দেশের সাধারণ মানুষের জন্য উপকারী হবে বলে মনে করেন তিনি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, টিসিবির কার্ড ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তর করার ফলে প্রায় ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।
টিসিবির কার্ড হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়ার বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কার্ড হারিয়ে গেলে কিংবা নষ্ট হলেও যেন সংশ্লিষ্ট কার্ডধারীরা পণ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হন, সে ব্যবস্থা করা হবে। ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে এ সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করা হবে।
ডিলার নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, অনলাইন ডিলার সিস্টেম চালু করা হবে। প্রয়োজনের তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে লটারির মাধ্যমে ডিলার নির্বাচন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, দেশে কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। তবে সে কারণে সব আবেদনকারীকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয়। প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত জনবল কোনো খাতেই নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।