বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
Title :
হাসিনার রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছা ‘মামার বাড়ির আবদার’: রিজভী গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে দেশে ফিরলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে পিতাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন দীর্ঘ ২৩ বছর পর ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার রবিউল আউয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট বোয়ালমারীতে ৬ মামলার আসামি আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে ৩ অটোরিকশা চোরকে আটক করে ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়ে ছেড়ে দিলেন স্থানীয়রা ফ্রান্সে দোহার নবাবগঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন অফ ফ্রান্সের দিনব্যাপী নৌ ভ্রমণ সম্পন্ন ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে শাড়ির জন্য আদালতে আসব, তা কাম্য নয়: তানজিন তিশা ইসিতে ৩টি মনোনয়নপত্র জমা: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

চাঁদপুরে পিতাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪ Time View

চাঁদপুরে মাদক কেনার টাকা না পেয়ে ধারালো ‘দা’ দিয়ে পিতা মো. মুছাব্বর গাজীকে (৬০) কুপিয়ে হত্যার অপরাধে ছেলে মো. হোসেন গাজীকে (৩৮) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হোসেন গাজী চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর ইচুলী গাজী বাড়ির মৃত মুছাব্বর গাজীর ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, আসামি হোসেন গাজী মাদকসেবী ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য তিনি প্রায়ই বাবার সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হতেন এবং তাঁকে মারধর করতেন। ছেলেকে মাদকমুক্ত করতে ঢাকায় নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাও করানো হয়েছিল, কিন্তু তাতে কোনো ফল মেলেনি।

২০১৮ সালের ১৬ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ ঘরে শুয়ে থাকা অবস্থায় বাবার মাথায় ধারালো ‘দা’ দিয়ে দুটি কোপ মারেন হোসেন গাজী। এতে মুছাব্বর গাজী গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। তিনি উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে আবার কোপ দেওয়া হয়, তখন হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে তাঁর একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে শহরের ওয়ারল্যাস বাজার এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

ঘটনার দিনই চাঁদপুর সদর মডেল থানায় বড় ভাই মো. আলম গাজী (৪২) বাদী হয়ে ছোট ভাই হোসেন গাজীকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ১৭ নভেম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিনুল ইসলাম তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কোহিনুর রশিদ জানান, মামলা চলাকালে আদালত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্যপ্রমাণ, নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিচারক এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category