রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
Title :
মিয়ানমারের ওপর চাপ ছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়: শামা ওবায়েদের তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এসেছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু মহেশখালীতে বসছে আরও তিনটি এলএনজি টার্মিনাল ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই আইজেনকট, ফিলিস্তিন প্রশ্নে তাঁর অবস্থান কী? সৌদি আরবের আরামকো টাওয়ারে বিস্ফোরণ, উড়ে গেছে দরজা-জানালার কাচ সৌদিতে দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক দেশে খাদ্য মজুদ ২২ লাখ মেট্রিক টন: খাদ্যমন্ত্রী চীনের অটোমোবাইল জায়ান্ট বিওয়াইডি ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ড অব দ্য ইয়ার’ এর স্বীকৃতি পেয়েছে: বিওয়াইডির নতুন মাইলফলক অর্জন জ্বালানি ও কৃষি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা-মস্কো সমঝোতা বগুড়ার ধুনটে ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তি গ্রেপ্তার

ইরানের হামলায় ৩টি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ১০০ Time View

জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং আরও তিনটি ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে হামলায় শত্রুপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটি জানিয়েছে, এই হামলা ছিল কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় নিহত বেসামরিক নাগরিকদের প্রতিশোধ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্সের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে আল জাজিরা। আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলায় দুই দম্পতি ও তাদের সন্তান নিহত হওয়ার জবাব হিসেবেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইআরজিসির মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটির একটি র‍্যাম্প এবং রক্ষণাবেক্ষণ শেড লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তাদের দাবি, ওই শেডেই মার্কিন বাহিনীর এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান রাখা ছিল।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে হামলায় শত্রুপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে বাহিনীটি।

বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ‘এই হামলায় শত্রুপক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা, কারিগরি ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী নিহত হয়েছে। গভীর রাতে ঘুমন্ত নিরীহ পরিবারকে হত্যা করা শিশুহত্যাকারী সেনাবাহিনীর জন্য এই অঞ্চলে কোনো স্থান নেই।’

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, অঞ্চল থেকে ‘শেষ মার্কিন দখলদার’ বিতাড়িত না হওয়া পর্যন্ত তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জর্ডানকে ঘিরেও তাদের সংগ্রাম চলবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে আইআরজিসির এ দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে ইরানের দাবির কথাই তুলে ধরা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category