বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
Title :
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিনের সূচিতে ১০ কর্মসূচি: মাহদী আমিন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী মক্কা হামলার অভিযোগ ঘিরে হুতিদের ‘সন্ত্রাসী’ বললেন সৌদি বাদশাহ জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয়: তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করলে বাতিল হবে রুট পারমিট: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনগণের সহনশীলতা চাইলেন তথ্য উপদেষ্টা সরকারি হাসপাতালের পাশে নতুন ক্লিনিক অনুমোদন বন্ধ জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি: দূরপাল্লার বাস ভাড়া কিলোমিটারে কত বাড়ছে? জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময়সূচি প্রকাশ

ইরানের হামলায় বাহরাইনে মার্কিন নৌ-ড্রোন ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস

  • Update Time : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৩ Time View

বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ।

শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ১৭তম ধাপের অংশ হিসেবে বাহরাইনে থাকা মার্কিন মানববিহীন সারফেস ভেসেল (ইউএসভি) বা ড্রোন নৌযানের একটি ডিপোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ওই ডিপো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং সেখানে থাকা বিপুলসংখ্যক ড্রোন নৌযানে আগুন ধরে যায়।

একই বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও দাবি করে, বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্রও তাদের হামলায় ধ্বংস হয়েছে। সংস্থাটির অভিযোগ, মার্কিন বাহিনী সামরিক লক্ষ্য নির্ধারণে ওই কেন্দ্রটি ব্যবহার করত। তাদের দাবি, একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে স্থাপনাটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।

হামলার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আইআরজিসি জানায়, আগের রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন সেতু ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছিল, যাতে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সেই হামলার জবাব হিসেবেই এই প্রতিশোধমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে আরও সতর্কবার্তা দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের পরিবহন অবকাঠামো ও সেতুগুলোর ওপর হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মালিকানাধীন অথবা মার্কিন অংশীদারিত্ব রয়েছে—এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

এছাড়া আইআরজিসি অভিযোগ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশ নিজেদের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে, তারা এসব হামলার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী হিসেবে বিবেচিত হবে।

তবে আইআরজিসির উত্থাপিত এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: মেহের নিউজ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category