ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের জমা দেওয়া ১৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১২টি বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্রের বাছাই কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
বুধবার নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান এই সিদ্ধান্ত জানান। মনিরা শারমিন তার মনোনয়নপত্রে সরকারি বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন উত্তোলনের তথ্য উল্লেখ করলেও কোথায় এবং কখন চাকরি করেছেন তার বিস্তারিত তথ্য দেননি।
এই ঘাটতির কারণে তাকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর তার মনোনয়নপত্র বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তথ্য অনুযায়ী, মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর কৃষি ব্যাংকে চাকরিতে যোগ দেন এবং ২০২৫ সালে রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুসারে, সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর তিন বছর পূর্ণ না হলে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন। এই নিয়ম অনুযায়ী তার মনোনয়ন বৈধ হওয়ার সম্ভাবনা কম।
এর ফলে জামায়াত জোটের জন্য নির্ধারিত ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে একটি কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, কোনো জোট নির্ধারিত আসনের চেয়ে কম প্রার্থী দিলে অতিরিক্ত আসনটি সকল দল ও জোটের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। নতুন তফসিলে নির্বাচন হলে ওই আসনটি বিএনপি জোটের ঝুলিতে যেতে পারে বলে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, কারণ সংসদ সদস্যদের ভোটে সংরক্ষিত নারী আসনের প্রতিনিধি নির্বাচিত হন এবং সে ক্ষেত্রে বিএনপির ভোটসংখ্যা তুলনামূলক বেশি।