বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন
Title :
উন্নত ফিজিওথেরাপির জন্য মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস দুই ঘণ্টার চেষ্টায় বনানীর বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ১৭ দিনে পা হারালেন চারজন টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে রুবেলের অবসরের ঘোষণা সংস্কারের বকেয়া রেখেই নতুন বছরের হালখাতা খুলেছে সরকার: নাহিদ ইসলাম আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবে ২৫০ যাত্রী নিখোঁজ, রয়েছেন বাংলাদেশিও হাম ও হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু থাইল্যান্ডে নববর্ষের উৎসবে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫৪ প্রাণহানি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮ Time View

ইরানকে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের ওপর নতুন করে শুল্ক বৃদ্ধি করে, তবে বেইজিংও পাল্টা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এই হুঁশিয়ারি দেন।

সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, চীন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই খবরের প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিংয়ের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে বলেন, তেহরানকে সামরিক সহায়তা দিলে চীনা পণ্যের ওপর ‘বিস্ময়কর’ নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে।

বেইজিং এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন জানান, গণমাধ্যমে প্রকাশিত মিথ্যা প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো পদক্ষেপ নেয়, তবে চীন হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চীন সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির ক্ষেত্রে সর্বদা আন্তর্জাতিক আইন ও অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়।

সিএনএনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলমান যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান তাদের অস্ত্রভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করছে। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, চীন সরাসরি নয় বরং তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে ‘ম্যানপ্যাড’ নামক কাঁধ থেকে ছোড়া বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ইরানে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিচু দিয়ে উড়ে যাওয়া মার্কিন যুদ্ধবিমানের জন্য বড় হুমকি হিসেবে পরিচিত।

ইরানের প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে চীন তেহরানের তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। যদিও দেশ দুটির মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক সামরিক চুক্তি নেই, তবে বিশ্লেষকদের মতে ‘তেলের বিনিময়ে অস্ত্র’ নীতির ভিত্তিতে তাদের গোপন সামরিক লেনদেন রয়েছে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান ইতোমধ্যে চীন থেকে ড্রোন, অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইল এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরির উপকরণ সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে বিশ্ববাজারে নতুন করে অস্থিরতা ও বাণিজ্যিক যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। বেইজিং স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, ওয়াশিংটনের যেকোনো একপাক্ষিক পদক্ষেপের বিপরীতে তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category