সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
Title :
একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্প ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী: মহেশখালী, বাঁশখালী ও হাঠহাজারী সফর হাইমচরে প্রাইভেটকারে ২০ কেজি গাঁজা, চালক আটক সীমালঙ্ঘন নয়, গতি কমিয়ে জনগণের পাশে থাকুন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী অলি আহমদ বিরোধী দল হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার মানবিক অঙ্গীকার ধারণ করে ড্যাব ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে দাঁড়াবে: জুবাইদা রহমান শেখ হাসিনার নির্দেশে সালাহউদ্দিন আহমেদকে গুম করা হয়েছিল পাকিস্তানি নারী গোয়েন্দার ফাঁদে পড়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর পাইলট গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধ থেকে সরে আসার পরামর্শ মার্কিন সেনাপ্রধানের

অপরিশোধিত তেলের সংকটে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন বন্ধ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৮ Time View

কাঁচামাল বা অপরিশোধিত তেলের (ক্রুড অয়েল) তীব্র সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড (ইআরএল) তাদের পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। গত রোববার বিকেলে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ার পর থেকে মূল ইউনিটের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১০ মে’র আগে রিফাইনারি পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে আমদানি করা তেলের নতুন চালানের অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই দীর্ঘ বিরতির সময়টিতে শোধনাগারের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ বা মেইনটেন্যান্স কার্যক্রম চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

ইআরএল-এর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, শুধুমাত্র ক্রুড প্রসেসিং ইউনিটটি বন্ধ রয়েছে। তবে এলপি গ্যাস, পেট্রোল ও বিটুমিন উৎপাদনের কাজ বিকল্প উপায়ে চলমান আছে। পুরো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার খবরটি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতা ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে গত প্রায় দুই মাস ধরে দেশে অপরিশোধিত তেলের আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে তেলের সর্বশেষ চালান এসেছিল। এরপর নতুন কোনো চালান না আসায় ৬ এপ্রিলের মধ্যেই মূল মজুত শেষ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পাইপলাইন ও ট্যাংকের তলানিতে জমে থাকা তেল দিয়ে এতদিন কার্যক্রম চালানো হলেও শেষ পর্যন্ত তা-ও ফুরিয়ে যায়।

ইআরএল দৈনিক গড়ে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন তেল পরিশোধন করলেও সংকটের মুখে তা ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়েছিল। তবে ক্রুড প্রসেসিং বন্ধ হলেও দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। সরাসরি আমদানি করা পরিশোধিত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বাজারে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে ইআরএল-এ পরিশোধন করা হয়। শোধনাগারটি থেকে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও ফার্নেস অয়েলসহ মোট ১৬ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category