এছাড়া সাধারণ মানুষের অর্থও ঝুঁকির মুখে বলে মনে করছেন তারা। এ অবস্থায় অনেক বিনিয়োগকারীও আদানি গ্রুপ থেকে তাদের অর্থ উঠিয়ে নিচ্ছেন। নিজেদের বিনিয়োগকৃত অর্থ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
এদিকে মার্কিন সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্টকে কেন্দ্র করে এশিয়ার শীর্ষ ধনী ব্যক্তির তকমা খুঁইয়েছেন ভারতের গৌতম আদানি। আদানির এই আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ তদন্তের দাবিতে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনেও শুরু হয়েছে তোলপাড়।
আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্তের জন্য যৌথ সংসদীয় কমিটি অথবা সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে একটি প্যানেল গঠনের দাবি জানায় কংগ্রেসসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্যরা। তবে অবিলম্বে আলোচনা ও উপযুক্ত তদন্তের দাবি মানা না হলে সংসদ চলতে দেয়া হবে না বলে জানানোর পর হট্টগোল শুরু হলে সংসদের উভয় কক্ষের অধিবেশন শুক্রবারও মুলতবি হয়।
এদিকে মোদি সরকারের নিরবতা প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে গৌতম আদানি দ্রুত এতো সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ অনেকের। তবে আদানি ইস্যুতে মোদি সরকারের কিছুই করার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতারা।