বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
Title :
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিনের সূচিতে ১০ কর্মসূচি: মাহদী আমিন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী মক্কা হামলার অভিযোগ ঘিরে হুতিদের ‘সন্ত্রাসী’ বললেন সৌদি বাদশাহ জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয়: তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করলে বাতিল হবে রুট পারমিট: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনগণের সহনশীলতা চাইলেন তথ্য উপদেষ্টা সরকারি হাসপাতালের পাশে নতুন ক্লিনিক অনুমোদন বন্ধ জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি: দূরপাল্লার বাস ভাড়া কিলোমিটারে কত বাড়ছে? জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময়সূচি প্রকাশ

‘বিচারকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের জুডিশিয়াল একাডেমি করা হবে’

  • Update Time : সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১০৪ Time View

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিচারকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের জুডিশিয়াল একাডেমি করা হবে। বাংলাদেশের মানুষ যাতে আইনের শাসন পায়, সঠিক বিচার পায় এজন্য তাদের স্বার্থে জুডিশিয়ার সার্ভিসে যা যা করণীয় আমরা তাই করবো।

তিনি বলেন, বিচারকরা রায় দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় নানাভাবে আক্রমণের শিকার হতে পারেন। সেজন্য আমরা বিচারকদের নিরাপত্তা জোরদার করার নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ বিষয়ে আরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ৫৯তম বার্ষিক সাধারণ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে এ বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি জানান, গেলো একযুগে দেশে ১ হাজার ২২৭ জন বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আরও ২০০ জন বিচারক নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। মানুষের সঠিক বিচার নিশ্চিতে জুডিশিয়াল সার্ভিসের উন্নয়নে দরকারি সব কিছু করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার বিচারের মধ্য দিয়ে দেশে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের ধারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ১০ বছরেই বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হতো।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে দেশের সব মানুষের সঠিক বিচার নিশ্চিতে বিচারপতিদের তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য সকল মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির মধ্যদিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে তাদের বিচার এখনও চলছে। তাহলে বাংলাদেশে হবে না কেন? লাখো মানুষের ওপর বর্বর অত্যাচারের বিচার করতে আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় সচেষ্ট ছিল। তার দৃষ্টান্ত আপনারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে দেখতে পেয়েছেন।

টিএইচ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category