শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন
Title :
আর্জেন্টিনা-মিশরের ম্যাচে বিতর্কিত রেফারিং নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল ফিফা ১৮ জেলায় বন্যা নিয়ে সতর্কতা জারি ৫ বছরে ১ কোটি দক্ষ কর্মীকে বিদেশ পাঠাবে সরকার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী আগামী নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনেই, জানালেন আইনমন্ত্রী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফন সম্পন্ন জবরদস্তির যুগ শেষ, আমরা নতি স্বীকার করব না: গালিবাফের হুঁশিয়ারি শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা আজ রাতেও ইরানে ভয়াবহ হামলা চালানো হতে পারে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

হাইতিতে কারাগারে সশস্ত্র হামলায় ৪ হাজার বন্দি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

  • Update Time : সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪
  • ৮৩ Time View

আমেরিকার দরিদ্রতম দেশ হাইতির একটি কারাগারে অস্ত্র সহ সমন্বিত হামলা চালিয়ে ৪ হাজার বন্দিকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা। গোলাগুলিতে চার পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার জেরে হাইতির সরকার দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।

বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাবন্দিদের মধ্যে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোয়েসের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত গ্যাং সদস্যরাও ছিলেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সহিংসতা আরও খারাপ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরিকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়া সশস্ত্র দলগুলো হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সহিংসতার সর্বশেষ এই পর্ব শুরু হয় গত বৃহস্পতিবার। ওইদিন হাইতিতে কেনিয়ার নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা করতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাইরোবি সফরে যান।

এরপরই গ্যাং নেতা জিমি চেরিজিয়ার (ডাকনাম ‘বারবিকিউ’) তাকে (প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরি) অপসারণের জন্য সমন্বিত আক্রমণ চালানোর কথা ঘোষণা করেন। সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা সবাই, প্রাদেশিক শহরের সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং রাজধানীর সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ঐক্যবদ্ধ।’

জিমি চেরিজিয়ার নামের এই গ্যাং নেতা রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের বেশ কয়েকটি গণহত্যার পেছনে রয়েছে বলে মনে করা হয়।

সমন্বিত আক্রমণ চালানোর ঘোষণা দেওয়ার পরেই গোলাগুলিতে চার পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। এরপর হাইতির ফরাসি দূতাবাস রাজধানী এবং এর আশপাশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেয়।

বিবিসি বলছে, হাইতির পুলিশ ইউনিয়ন পোর্ট-অ-প্রিন্সের প্রধান ওই কারাগারটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করতে বলেছিল। কিন্তু শনিবার গভীর রাতে ওই কারাগার প্রাঙ্গণে হামলা হয়।

মূলত সাবেক প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোয়েসের হত্যাকাণ্ডের পর থেকে হাইতিতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত কাউকে করা হয়নি এবং ২০১৬ সাল থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চলের এই দেশটিতে নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হয়নি।

যদিও একটি রাজনৈতিক চুক্তির আওতায় হাইতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এবং অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরি গত ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পদত্যাগ করার কথা ছিল, কিন্তু সেটি হয়নি।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে জাতিসংঘ জানায়, গত বছর হত্যা, আহত এবং অপহরণসহ হাইতিতে গ্যাং সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৮ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ। যা দেশটিতে ২০২২ সালে সহিংসতার শিকার হওয়া মানুষের সংখ্যার চেয়ে দ্বিগুণের বেশি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category