রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৩ অপরাহ্ন
Title :
মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি, সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু তথ্য মন্ত্রণালয়ের আইন আরও যুগোপযোগী করা হবে: তথ্যমন্ত্রী বন্ধুকে বিয়ে করার কারণ জানালেন মৌসুমী হামিদ নিরাপত্তার অজুহাতে জনগণ থেকে দূরত্ব তৈরি করবেন না: প্রধানমন্ত্রী ‘যারা জুলাইকে কটাক্ষ করবে, তাদের জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলতে হবে’ সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিষিদ্ধ প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান বাতিল অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পুনরায় চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসলে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়: গণপূর্ত মন্ত্রী

পদ ছাড়তে নারাজ চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি

  • Update Time : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৬৪ Time View

শেখ হাসিনা সরকারের সময় থেকে টানা ৬ দফায় চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে দায়িত্ব পালন করছেন প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ।

তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি অভিযোগ তখন থেকেই। তবে কোন না কোন খুঁটির জোরে থেকেছেন একই দায়িত্বে।

সবশেষে রোববার তাকে পদত্যাগের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটামসহ ১৭ দফা দাবি দেন বৈষম্যবিরোধী সাধারণ নাগরিক সমাজ।

এ সময় ভোক্তাদের জাতীয় সংগঠন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, হাসিনা সরকারের খুব আপনজনদের একজন আপনি। সুতরাং আমরা চাই স্বৈরশাসকের অনুসারীরা এ রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকবে না। তাই অতিত্ত্বর চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি থেকে পদত্যাগ করুন। এ স্বৈরশাসকের শাসনামলে নানা লুটপাট থেকে শুরু করে নৈরাজ্যের মাধ্যমে এটা জাতির কাছে স্পষ্ট এবং দৃশ্যমান। স্বৈরশাসকের কোনো দোসরকে এ পদে রাখবো না।’ এখন আপনি কী করবেন বলেন?
এমন উত্তরে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেন, আমি কোনো স্বৈরশাসকের দোসর না। তাদের কারো সঙ্গে আমার যোগাযোগও ছিল না।

এ সময় বিক্ষোভকারীদের একজন বলেন, ‘তাহলে আপনার বিগত ১৬ বছর ধরে এ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কে দিয়েছে? তখন এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেন, ‘বোর্ড থেকে দেওয়া হয়েছে।’ তখন আবারো তারা স্বৈরশাসকের দোসর বলে স্লোগান দিতে থাকে ‘দফা এক দাবি এক; এমডির পদত্যাগ’।

ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ বলেন, ‘আমি সরকার নিযুক্ত লোক; কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব না। আজকে মানুষদের কথায় চলে গেলাম। তখন সরকার আমার থেকে জানতে চাইবে আমি গেলাম কেন!’

তিনি আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম ওয়াসায় আমার কোন দুর্নীতি নেই। এখানে দুদক ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে তদন্ত করেছে। কোন দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং দুর্নীতির কোন সুযোগ নেই।’

প্রসঙ্গত, ১৯৬৮ সালে ওয়াসার সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ পান প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ। পরে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৮ সালে অবসর নেন। চাকরি জীবনে অনিয়মে জড়িয়ে হয়েছিলেন বহিষ্কার। পরবর্তীতে একটি কো-অপারেটিভ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হয়ে জড়ান অর্থ আত্মসাতে। দুই দফায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেন।

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ওয়াসার বোর্ড চেয়ারম্যান হিসাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান। এরপর ২০১১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবে খাটিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ড গঠন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) পদ তৈরি হলে প্রথম দফায় তিন মাসের জন্য এমডির দায়িত্ব পান তিনি।

পরে পাঁচ দফায় পুনর্নিয়োগে গত ১৩ বছর ধরে এ দায়িত্ব পালন করেছেন এ কে এম ফজলুল্লাহ। সর্বশেষ ২০২০ সালের অক্টোবরে পুনঃনিয়োগ পাওয়ার পর হাসান আলী নামে এক গ্রাহক পুনঃনিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছিলেন। ওয়াসার চেয়ারম্যান হিসেবে একবার ও এমডি হিসেবে ৬ষ্ঠ বারের মত দায়িত্ব পান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category