বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
Title :
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিনের সূচিতে ১০ কর্মসূচি: মাহদী আমিন জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী মক্কা হামলার অভিযোগ ঘিরে হুতিদের ‘সন্ত্রাসী’ বললেন সৌদি বাদশাহ জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয়: তারেক রহমানের সঙ্গে এরদোয়ানের বৈঠক নির্ধারিত ভাড়ার বেশি আদায় করলে বাতিল হবে রুট পারমিট: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনগণের সহনশীলতা চাইলেন তথ্য উপদেষ্টা সরকারি হাসপাতালের পাশে নতুন ক্লিনিক অনুমোদন বন্ধ জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি: দূরপাল্লার বাস ভাড়া কিলোমিটারে কত বাড়ছে? জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময়সূচি প্রকাশ

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য খুলে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১০১ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। সরকারের আশা, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই নতুন ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।

এবারের ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। আগে যেখানে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচনের বিষয়টি প্রাধান্য পেত, এবার বাংলাদেশ সরকার নিজেই এজেন্সি নির্বাচন করবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত ব্যয় ও অনিয়ম কমিয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে না পারলে ভবিষ্যতে আবারও শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ইতিহাসে কয়েক দফা বন্ধ ও পুনরায় চালুর ঘটনা রয়েছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০১৬ সালে তা পুনরায় চালু হলেও ২০১৮ সালে আবারও একই ধরনের অভিযোগের কারণে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া স্থগিত করে মালয়েশিয়া।

এরপর ২০২২ সালের আগস্ট মাসে নতুন করে কর্মী পাঠানো শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত ও প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে ধারাবাহিক আলোচনা চলতে থাকে।

এদিকে ২০২৪ সালে বিভিন্ন জটিলতার কারণে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি কর্মীদেরও দ্রুত মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য পৃথক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরে দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব পায়। ওই আলোচনার ধারাবাহিকতায় আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফল হিসেবে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর ঘোষণা এসেছে, যা বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category