সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন

৫ জেলায় বজ্রপাতে ১২ জনের প্রাণহানি

  • Update Time : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭ Time View

তীব্র তাপপ্রবাহের পর স্বস্তির বৃষ্টি নামলেও দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতের এই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো ঘটে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে গাইবান্ধা জেলায়। এখানে শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা গ্রামে বজ্রপাতে মারা যায় ফুয়াদ চৌধুরী (১০), রাফি চৌধুরী (১৫) ও মিজান মিয়া (২০)।

ফুলছড়ি উপজেলায় মানিক মিয়া (২৫) এবং সাঘাটা উপজেলায় নম্বার আলী (৬৫) নিহত হন। এ সময় একজন আহত হন এবং একটি গরুও মারা গেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক ঘটনায় লাবণী আক্তার (৩৫) ও ইলিয়াস আলী (৩৭) নিহত হয়েছেন।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় বজ্রপাতে প্রাণ হারান সোহরাওয়ার্দী (২২), যিনি মাত্র আট দিন আগে বিয়ে করেছিলেন।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় বজ্রপাতে হোসেন আলী শেখ (২৫) ও আবদুল হামিদ (৫০) নিহত হন।

জামালপুর সদর ও মেলান্দহ উপজেলায় মর্জিনা বেগম (২২) ও হাসমত আলী (৪৫) মারা যান। এ জেলায় আরও চারজন আহত এবং পাঁচটি গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রীষ্মকালে মেঘের ঘনত্ব ও উচ্চতা বেশি থাকায় বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ে। মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেঘ জমা বা বজ্রধ্বনি শোনা গেলে খোলা মাঠ, গাছের নিচে বা উঁচু স্থানে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে কৃষকদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃষ্টির স্বস্তির মাঝেই এই প্রাণহানি মনে করিয়ে দেয় যে, প্রকৃতির সৌন্দর্যের সঙ্গে লুকিয়ে থাকতে পারে ভয়াবহ ঝুঁকিও। সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার না হলে এমন দুর্ঘটনা রোধ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category