বিয়ের দাবিতে পাঁচ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন মিষ্টি আক্তার নামের এক কলেজছাত্রী। বিয়ে করবেন বলে তরুণীকে নিজের বাড়িতে এনে পরবর্তীতে তিনি সটকে পড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার কোনো সমাধান না হওয়ায় এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পুরাভিটা গ্রামের (জলব্রিজ এলাকা) ফেলু মিয়ার ছেলে মো. জীবন মিয়ার সঙ্গে উত্তর সাপমারী গ্রামের খুশরু মিয়ার মেয়ে মিষ্টি আক্তারের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত বৃহস্পতিবার জীবন বিয়ের উদ্দেশ্যে মিষ্টিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে পরবর্তীতে পারিবারিক চাপের কারণে তরুণীকে নিজ বাড়িতে রেখে জীবন কেটে পড়েন বলে জানা গেছে।
বিষয়টি মীমাংসার জন্য দুই পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েক দফা বৈঠক করা হলেও গত পাঁচ দিনে কোনো সমাধান হয়নি। ফলে ন্যায়বিচারের দাবিতে ওই বাড়িতেই অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছেন মিষ্টি।
দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে অবস্থান করায় এবং মানসিক চাপের কারণে মিষ্টির শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। স্থানান্তরিত হওয়ার পর তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলেও তরুণীর পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে সোমবার এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে তরুণীর নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতের দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জীবন মিয়া বা তাঁর পরিবারের কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।