শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
চীনের বিনিয়োগের পাশাপাশি আমাদেরও রপ্তানির সুযোগ রয়েছে: মাহদী আমিন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে সরকার কাজ করছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু মধুপুরে কূপে নিহত চারজনের পরিবারকে এক লাখ টাকা সহায়তা ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ২ চুক্তি ও ১৩ সমঝোতা স্মারক সই চীনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাশিয়া, চীন ও তুরস্ককে আমি যুদ্ধের বাইরে রেখেছি: ট্রাম্প শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের বৈঠক লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে আদ্-দ্বীনের আপিল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে নদীতে গোসলে নেমে ৩ নারীর মৃত্যু

প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৩ Time View

রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাসভবন হিসেবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যমুনা ছেড়ে যাওয়ার পর থেকেই সেখানে নতুন প্রধানমন্ত্রীর ওঠার প্রস্তুতি শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অভ্যন্তরীণ সুবিধার কথা বিবেচনা করেই যমুনাকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। তবে ভবনটির সংস্কার কাজে ব্যয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী অপচয় রোধে কোনো বাড়তি বা বাহুল্য খরচ করা হয়নি।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই অতিরিক্ত খরচ পরিহার করতে চান। তাঁর নির্দেশনা মেনেই আমরা অত্যন্ত সাশ্রয়ী বাজেটে কাজগুলো সম্পন্ন করেছি। ভবনের ভেতরে প্রয়োজনীয় রঙ করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সম্পূর্ণ এলাকা জীবাণুমুক্ত (হাইজেনিক ওয়াশ) করা হয়েছে।

এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যমুনায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছেন। তবে তিনি স্থায়ীভাবে কবে থেকে সেখানে বসবাস শুরু করবেন, সে বিষয়ে এখনও সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানাননি।

প্রধান প্রকৌশলী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নির্দেশনা পাওয়ামাত্রই যেন সব কাজ শেষ করা যায়, সেভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে সর্বোচ্চ দুই সপ্তাহের মধ্যেই বাসভবনটি পুরোপুরি বসবাসের উপযোগী করে হস্তান্তর করা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category